শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:১০ পিএম, ২০২৬-০২-১৭
সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সংসদীয় দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
সংসদীয় দলের বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘এটা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত যে, ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্রকে ধবংস করে দেওয়া, সংসদকে অকার্যকর করার পরে জনগণের অনেক রক্তের বিনিময়ে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা একটি সংসদ পেয়েছি। এই সংসদের মধ্য দিয়ে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে আমরা আমাদের তরুণ নেতা জনাব তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছি। আমরা আশাবাদী তার নেতৃত্বে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমাদের প্রথম এই সংসদীয় দলের সভাতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিএনপির সংসদ সদস্যরা ডিউটি ফ্রি কোনো গাড়ি নেবেন না এবং কোনো প্লটও নেওয়া হবে না সরকারের কাছ থেকে। এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ শপথের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করছে। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় একজন ক্ষমতায় আসছেন। তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি এবং মা খালেদা জিয়া ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপি সর্বশেষ ২০০১ সালে সরকার গঠন করেছিল। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ওই চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষ হয় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর। এর আগে তিনি স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পরও স্বল্প সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের হাতে নিহত হন।
এবারের নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলে বিএনপি ২০৯টি আসন এবং তার মিত্ররা পেয়েছে ৩টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে ৬৮টি আসনে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি এবং অন্য শরিকেরা আরও ৩টি আসন পেয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত