শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:৩৩ পিএম, ২০২৬-০২-১৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে প্রশাসনের অসহযোগিতা ও নজিরবিহীন কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই আসনের সকল নির্বাচনী ফলাফল স্থগিত করার দাবি জানান।
সানজিদা ইসলাম তুলি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই প্রশাসনের একাংশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে দুপুরের পর থেকে পোলিং এজেন্টদের ওপর প্রশাসনিক সহায়তায় শারীরিক আক্রমণ চালানো হয়েছে এবং তাদের জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ১১ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পক্ষ থেকে প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন এবং ভোটারদের মাঝে অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, ভোট গণনার আগেই পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ঢাকা-১৪ আসনের ফলাফল প্রকাশে উদ্দেশ্যমূলক বিলম্ব করা হয়েছে এবং অনেক কেন্দ্রে ফল প্রকাশ না করেই ব্যালট পেপার সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনাকে শুধু একজন প্রার্থীর প্রতি নয়, বরং পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অবিচার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের মৌলিক নীতি— স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা, যা চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম মোট ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত