প্রার্থী-এজেন্টদের যানবাহন ব্যবহার:স্টিকার ছাড়া চলাচল নিষিদ্ধ

Passenger Voice    |    ১২:৫৮ পিএম, ২০২৬-০২-০৯


প্রার্থী-এজেন্টদের যানবাহন ব্যবহার:স্টিকার ছাড়া চলাচল নিষিদ্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের (রেফারেন্ডাম) ভোটগ্রহণের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের চলাচলের জন্য যানবাহন ব্যবহারে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্দেশনা নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সহায়ক হবে বলে ইসি মনে করছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক তথ্য বিবরণীতে ইসি জানিয়েছে, সারাদেশে যানবাহন চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ থাকলেও প্রার্থী ও এজেন্টদের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে এ ছাড় শুধুমাত্র রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।

যানবাহন ব্যবহারের বিস্তারিত নিয়ম:

সড়কপথে (সাধারণ এলাকা): প্রত্যেক প্রার্থী ও তার নির্বাচনী এজেন্ট একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন (জিপ, কার, মাইক্রোবাস, সিএনজি, অটোরিকশা) ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রতিটি যানবাহনে চালকসহ সর্বোচ্চ ৫ জন অবস্থান করতে পারবেন (চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে)। প্রার্থীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত গানম্যান থাকলে তাকেও এই ৫ জনের মধ্যে গণ্য করা হবে।

দুর্গম/পাহাড়ি এলাকায় (মোটরসাইকেল ছাড়া অন্য যান চলাচল অসম্ভব): প্রার্থী ও এজেন্ট প্রত্যেকে সর্বোচ্চ ২টি করে মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি মোটরসাইকেলে চালকসহ অনধিক ২ জন থাকতে পারবেন।

নৌপথে: প্রার্থী ও এজেন্ট প্রত্যেকে নৌযান চালকসহ সর্বোচ্চ ৫ জন করে চলাচল করতে পারবেন।

অতিরিক্ত ব্যক্তি ও স্টিকারের নিয়ম:

প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট ও গানম্যান ছাড়া যানবাহনে থাকা অন্য সকল ব্যক্তির জন্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবেদন করে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। সকল অনুমোদিত যানবাহনে রিটার্নিং অফিসার প্রদত্ত স্টিকার স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে। স্টিকার ছাড়া চলাচল করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিষেধ: প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্ট ছাড়া তাদের সঙ্গে থাকা কোনো ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এ নির্দেশনা ভোটের দিন সাধারণ যানবাহন চলাচলে ২৪ ঘণ্টা (১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত) এবং মোটরসাইকেলে ৭২ ঘণ্টার (১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত) নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সমন্বিত। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ প্রভাব প্রতিরোধ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। জরুরি সেবা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পর্যবেক্ষক ও নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত যানবাহনের জন্য ছাড় রয়েছে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, এ নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রার্থী ও এজেন্টদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।