শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:০৯ এএম, ২০২৬-০২-০৯
চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের চলমান ধর্মঘট সাতদিনের জন্য (৯-১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। তবে এই সময়ের মধ্যে শ্রমিক নেতারা পাঁচটি বিষয়ের সমাধানও চেয়েছেন।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে এ ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও মোহাম্মদ ইব্রাহীম খোকন।
যে পাঁচ সমস্যার সমাধান চান শ্রমিক নেতারা-
১. চট্টগ্রাম বন্দরের ৫ জন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার ও হয়রানিমূলক মামলা প্রদান।
২. চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ জন কর্মচারীকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দরে হয়রানিমূলক বদলি।
৩. চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনরত কর্মচারীদের নানাবিধ শাস্তি প্রদান।
৪. চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনরত কর্মচারীদের বাসা বরাদ্দ বাতিল।
৫. চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনরত ১৬ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তসহ নানাবিধ শাস্তি প্রদান।
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি নিয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের হয়রানিমূলক মামলা, বদলি, শাস্তি প্রদান, বাসা বরাদ্দ বাতিল ও সাময়িক বরখাস্তের বিষয়ে আমরা আমাদের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে সন্তোষজনক আলোচনা করেছি।
তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজানের পণ্য খালাসের স্বার্থে আমরা চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ এর ধর্মঘটের কর্মসূচি ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা হতে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছি। তবে এরমধ্যে আমাদের পাঁচটি সমস্যা সমাধান না হলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
প্যা.ভ.ম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত