শিরোনাম
Passenger Voice | ০৬:৪৩ পিএম, ২০২৬-০২-০৮
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছেন। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র ২টি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে হচ্ছে না।’ রোববার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘প্রজেক্টটা ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল। গত এক মাসে ফাইনাল বোঝাপড়ার ধাপটা শুরু হয়েছিল। যা এখনো চলমান। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। যা চলমান থাকবে। এটা সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় লাগবে।’
এদিকে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ডেলিভারির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সীমিত পরিসরে সকালে জেটিতে কিছুক্ষণ পণ্য খালাসের কাজ চললেও এখন সেটিও বন্ধ আছে। বহির্নোঙরে পণ্য খালাসের কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
এবারের ধর্মঘটে জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল, প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি বহির্নোঙরেও (আউটারে লাইটারিং) অপারেশনাল কাজ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আগের ধর্মঘটে বন্দরের বহির্নোঙরে কার্যক্রম সচল ছিল।
এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে আন্দোলনকারী শ্রমিক-কর্মচারীরা এটি প্রত্যাখান করায় সেখানেও উপস্থিতি কম ছিল।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে শনিবার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীম খোকন। বন্দর রক্ষা পরিষদের বাকি তিনটি দাবি হচ্ছে-বন্দরের বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম মনিরুজ্জামানকে চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রত্যাহার করা; বিগত আন্দোলনে যেসব কর্মচারীর বিরুদ্ধে বদলি, চার্জশিট, সাময়িক বরখাস্ত, পদাবনতিসহ নানাবিধ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে তা বাতিল করে প্রত্যেক কর্মচারীকে চট্টগ্রাম বন্দরের স্ব স্ব পদে পুনর্বহাল করা; এবং আন্দোলনরত শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাসহ কোনোরূপ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত