বন্দরের ডেমারেজ মওকুফের দাবি বিজিএমইএ’র

Passenger Voice    |    ০৩:১৫ পিএম, ২০২৬-০২-০৬


বন্দরের ডেমারেজ মওকুফের দাবি বিজিএমইএ’র

এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা ইস্যুতে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনের আন্দোলন ও কর্মবিরতিতে বন্দরে অস্বাভাবিক পণ্যজট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ। 

এ অবস্থায় তৈরি পোশাক খাতের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলমান রেখে রপ্তানি আদেশ সময়মতো ক্রেতার কাছে পৌঁছানো ও রপ্তানি সক্ষমতা বজায় রেখে দ্রুত পণ্য খালাসের জন্য কাস্টমস ও বন্দরের সব সেবা ২৪ ঘণ্টা সাত দিন চালু রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান। 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে দেওয়া চিঠিতে এ অনুরোধ জানান তিনি। 

পাশাপাশি বন্দরে অবরোধের কারণে আরোপিত ডেমারেজ চার্জ ছাড়াই পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার অনুরোধও জানানো হয় ওই চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে  ইজারা দেওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনগুলোর আন্দোলন ও কর্মবিরতির কারণে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্দরের স্বাভাবিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। যার কারণে বর্তমানে বন্দরে অস্বাভাবিক পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে। 

তৈরি পোশাক শিল্প একটি অত্যন্ত সময়সংবেদনশীল ও সময়-নির্ভর খাত। নির্ধারিত লিড টাইমের মধ্যে আমাদের উৎপাদন সম্পন্ন করে পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

কোনো ধরনের অপারেশনাল ব্যাঘাতের কারণে যদি নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতার কাছে পণ্য সরবরাহ সম্ভব না হয়, তাহলে রপ্তানিকারকগণ তাৎক্ষণিক আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ভবিষ্যৎ অর্ডার হারানোর ঝুঁকির মুখে পড়েন।

কর্মবিরতির কারণে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। চলমান রপ্তানি আদেশগুলো সম্পন্ন করার জন্য দ্রুততার সাথে সৃষ্ট পণ্যজট নিরসন করা একান্ত জরুরি। এক্ষেত্রে দ্রুত পণ্য খালাসের নিমিত্তে কাস্টমস ও বন্দর সংক্রান্ত সব কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন চলমান রাখা আবশ্যক।

সেলিম রহমান বলেন, বন্দরে সৃষ্ট অচলাবস্থায় আমদানিকারকরা নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাসে ব্যর্থ হয়েছেন। এখানে আমদানিকারকের কোনো ত্রুটি বা অবহেলা ছিল না। সুতরাং বর্তমান ডেলিভারিকৃত কোনো আমদানি পণ্যের বিপরীতে গত ৩০ জানুয়ারির পর থেকে ডেমারেজ চার্জ আদায় করা যুক্তিযুক্ত নয়।