শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:৩৭ পিএম, ২০২৬-০১-২৭
বাংলাদেশে এখনো নিরাপদ ও জনবান্ধব সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কারণে টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বাড়ছে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবার। একই সঙ্গে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক গতিও ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবকে দায়ী করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নিরাপদ ও জনবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনী অঙ্গীকার প্রত্যাশা করেছে।
আজ মঙ্গলবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন করে এর অধীনে বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএ পরিচালনা করতে হবে এবং কাউন্সিলকে আইন ও বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের পাশাপাশি শীর্ষ পদে প্রশাসন ক্যাডারের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু, যানজট কমাতে স্কুল-কলেজের নিজস্ব বাস সার্ভিস বাধ্যতামূলক করা এবং প্রয়োজনে সহজ শর্তে ঋণ ও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং যানবাহনে আইটিএস, জিপিএস ও আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে।
মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার করতে হবে এবং দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া দাবি জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সড়ক থেকে সব ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং দক্ষ চালক তৈরিতে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়ে তাদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। মহাসড়কের দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকায় ট্রমা কেয়ার সেন্টার স্থাপন, থ্রি-হুইলার ও ছোট যানবাহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করে নিরাপদ রোড ডিজাইন নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত রোড সেফটি অডিটের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সড়ক, রেল ও নৌ পরিবহন একীভূত করে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠন, প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ, সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বাড়াতে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ এবং সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তায় বছরে ৭০০ কোটি টাকার ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের দাবি জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
প্যা.ভ.ম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত