শিরোনাম
বাড্ডায় সড়ক অবরোধ
Passenger Voice | ০১:১২ পিএম, ২০২৬-০১-১৯
আমরা তো আইন করি না, গাড়িও বিক্রি করি না। আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের কেন এই ভোগান্তি। প্রশাসনও দেখে না আর যারা আন্দোলন করে তারাও আমাদের দিকটা দেখে না। আমরা কি ক্ষতি করেছি, রাস্তা বন্ধ করে আমাদের কেন কষ্ট দেওয়া হচ্ছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাড্ডার ফুজি টাওয়ারের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ কারণে ভোগান্তিতে পড়ে ঢাকা পোস্টকে এসব কথা বলেন মো. আব্দুর রহিম নামের একজন।
জানা গেছে, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন।
আব্দুর রহিম জানান, তিনি ব্যবসায়িক কাজে গুলিস্তানে যাবেন। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বাসে ওঠার পর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে এসে গাড়ি আটকে যায় অবরোধের কারণে। ফলে সেখান থেকে হেঁটে তাকে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকদের অবরোধের কারণে যমুনা ফিউচার পার্কের থেকে মেরুল বাড্ডা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য যানবাহন। যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে হেঁটে যাচ্ছেন গন্তব্যে। যাত্রীদের হেঁটে চলার লম্বা লাইন দুই পাশের সড়কে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সব শ্রেণির মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।
মো. রামিম নামের একজন বলেন, আমার মা গত এক সপ্তাহ ধরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে কিডনিজনিত সমস্যার কারণে ভর্তি। আমি এখন হাসপাতালে যাওয়ার কথা মাকে দেখতে ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করতে। কিন্তু ২ ঘণ্টা ধরে বাসে বসেছিলাম এই রাস্তায়। গাড়ি সামনে যায় না। পরে বাধ্য হয়ে হেঁটে রওনা হয়েছি। এভাবে কেউ রাস্তা বন্ধ করে রাখে। মানুষের কত জরুরি প্রয়োজন আছে, পুলিশও দাঁড়িয়ে আছে, কিছু করছে না।
আলিফ আহমেদ নামের একজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকায় সব গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া উচিত। আমরা হেঁটে হেঁটে চলাফেরা করব। এত দাবি এত আন্দোলন পরিবহন চালক ও শ্রমিকদের। কেউ দেখার নেই, অফিস টাইম থেকে এই রাস্তাটা বন্ধ। মানুষের কি ভোগান্তি হচ্ছে কেউ দেখার নেই।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জানেনই না কেন রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছে। তারা বলছেন, প্রতিনিয়ত নানা আন্দোলনের কারণে তাদের রাস্তায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কিন্তু সরকার কিংবা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
এদিকে আন্দোলনরত ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা বলছেন, আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে তাদের দাবি মেনে নিতে হবে, না হলে তারা সিটি কর্পোরেশনের অফিস ঘেরাও করবেন।
প্যা.ভ.ম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত