ভাঙনের মুখে জামায়াত জোট!

Passenger Voice    |    ১১:৫৮ এএম, ২০২৬-০১-১৬


ভাঙনের মুখে জামায়াত জোট!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন বণ্টন নিয়ে দ্বন্দ্বে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট অবশেষে ভাঙনের মুখে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জোটের চূড়ান্ত আসন সমঝোতা ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে ‘ওয়ান বক্স’ নীতির প্রথম প্রস্তাবকারী দল ইসলামী আন্দোলন ছিল না। তবে দলটির জন্য ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখেই ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ১১-দলীয় জোট। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জোটের প্রধান দুই পরাশক্তি জামায়াতে ইসলামী ও চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে টানাপোড়েনের কারণেই মূলত এই ভাঙন। জামায়াতকে নিয়ে আগামী দিনে পথ চলার ব্যাপারে ইসলামী আন্দোলনের ভেতরেও ‘অবিশ্বাস’ আর ‘সন্দেহ’ তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে জামায়াতের প্রস্তাবিত ৪৫-৪৭টি আসনে সন্তুষ্ট হতে না পেরে জোট থেকে দলটির বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের অনুপস্থিতি ভবিষ্যৎ জোটের রাজনীতির নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। 

জানা গেছে, আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন দুই দিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেও সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি। ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল। তবে আলোচনার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে আসনের চাহিদা কমিয়েছে। সর্বশেষ তারা ৬০-৭০টির নিচে নামতে রাজি নয়। কিন্তু জামায়াত দলটিকে ৪৫টি আসন ছাড় দিতে চায়। দলটির পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছিল ৬৫-৭০ আসন না ছাড়া হলে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামী আন্দোলনের অনেক নেতাই জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে মতামত দেন। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে বড় ধরনের ধাক্কা খেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন নতুন এই রাজনৈতিক মোর্চা। এখন এটি ১০-দলীয় জোটে পরিণত হয়েছে। মূলত ইসলামী আন্দোলন এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা ২৬৬ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। 

ইসলামী আন্দোলন না থাকায় জোট ভাঙছে কি না জানতে চাইলে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা (ইসলামী আন্দোলন) নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করছেন। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আশা করি তারা জোটে থাকবেন। এটা জোট নয়, আমাদের নির্বাচনি ঐক্য।’ 

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, ‘আসন সমঝোতা বা জোটে থাকা না থাকা নিয়ে দলীয় অবস্থান শুক্রবার (আজ) বিকেলে পরিষ্কার করা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে ৪৭ আসন বাকি রেখেই আসন ঘোষণা করেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এই মোর্চার নাম রাখা হয়েছে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, ‘৩০০ আসনের মধ্যে জামায়াত ১৭৯ আসনে নির্বাচন করবে। জোটের শরিকদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি এবং বিডিপিকে ২টি আসনে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বাকি আসনগুলো আমাদের শরিক ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মধ্যে বণ্টন করা হবে।’

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ অর্থাৎ ইসলামী দলগুলোর এক বাক্সে ভোট–এই স্লোগান নিয়ে ৯ মাস আগে ইসলামী আন্দোলন প্রথমে মোর্চা গঠনের কাজ শুরু করেছিল। শুরুতে এই আলোচনায় যুক্ত হয় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন এবং নেজামে ইসলাম পার্টি। ষষ্ঠ দল হিসেবে যোগ দেয় জামায়াতে ইসলামী। এরপর জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) সমঝোতার আলোচনায় যুক্ত হয়। নভেম্বর মাসে জুলাই সনদ ও সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনেও নেমেছিল এই মোর্চা। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে আন্দোলন থেকে সরে এসে তারা তৎপর হয় আসন সমঝোতায়। তখন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) আসন সমঝোতায় যোগ দেয়। তখন থেকেই ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে–এটি আসলে জোট নাকি আসন ভাগাভাগির একটি প্ল্যাটফর্ম। 

জোটের একাধিক নেতা বলছেন, একদিকে আসন সমঝোতায় অস্পষ্টতা রয়েছে, অন্যদিকে ঐক্যের রাজনীতির কোনো নীতিমালা ঠিক করা হয়নি। নির্বাচনের পর ক্ষমতায় গেলে কী হবে, বিরোধী দল হলে সংসদে ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা কী হবে তা এখনো অস্পষ্ট। 

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গত ৫৪ বছরের পুরোনো রাজনীতি আমরা আর চাই না। অতীতের মতো কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং নির্বাচন চাই না। এটা আমরা মানব না। যেকোনো ধরনের কারচুপি, ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। গত তিনটি নির্বাচনে যুবসমাজ ভোট দিতে পারেনি, আমরা তাদের ভোট নিশ্চিত করতে চাই।’ 

১৯৪৭, ৭১ ও ২৪ সালের জাতির টার্নিং পয়েন্টে যারা জীবন দিয়েছেন, লড়াই করে আহত হয়েছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার মধ্য দিয়ে আমরা তাদের ঋণ শোধ করতে চাই। আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে।’ 

জামায়াতের আমির বলেন, ‘আলোচনার ভিত্তিতে একমত হয়ে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। যাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তারা ১১-দলীয় জোট ও দেশবাসীর প্রত্যাশার প্রার্থী। তাদের বিজয়ের জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করব।’ 

নির্বাচনি সমঝোতায় অংশ নেওয়া দলগুলো বাংলাদেশ ও আজাদির পক্ষে উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এটি ঐতিহাসিক যাত্রার ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বৈষম্যবিরোধী দুর্নীতিবিরোধী বাংলাদেশের পক্ষে থাকা অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একত্রে একটি প্ল্যাটফর্মে এসেছি। এটা আমাদের এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের ঐতিহাসিক যাত্রা।’

বিগত দুই দিনের নাটকীয়তার মধ্যে সংসদ নির্বাচনের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করতে বৈঠক বসেন জোটের শীর্ষ নেতারা। কিন্তু বৈঠকে ইসলামী আন্দোলনের কেউ ছিলেন না। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাকি ১০ দলের নেতাদের নিয়ে জোটের বৈঠক দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে শেষ হয় বেলা পৌনে ৩টার দিকে। 

মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১০ দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ প্রমুখ।

বৈঠক শেষে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আসন সমঝোতা হলেও ১১-দলীয় জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে। এই জোট নিয়ে জনগণের মধ্যে একটি বড় আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে এবং এটা জনগণ বোঝে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণ হবে, এটা সবার প্রত্যাশা। যেসব মতভিন্নতা হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো কেটে যাবে। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করা হবে এই জোট যেন অটুট থাকে। কারও ভিন্নমত থাকলেও জোট প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সংস্কার ভাবনা, আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবেই আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। ৩০০ আসনে কোনো দলীয় প্রার্থী হবে না, সবাই জোটের প্রার্থী হবে। সবাই সবাইকে সহযোগিতা করবে।’

জোটের বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান 
জোটের স্বার্থে আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থে আমি এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে এবং ঐক্যের প্রার্থীদের হয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ। আমাকে যারা ভালোবাসেন, তারা দয়া করে মন খারাপ করবেন না। ব্যক্তি রাশেদ প্রধানের চেয়ে আমাদের সমঝোতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর আমাকে যারা ঘৃণা করেন, আপনারা আপনাদের চিরাচরিত ‘সুমধুর’ ভাষায় গালিগালাজ শুরু করতে পারেন। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ আমাদের ঐক্যের এই প্রচেষ্টা দেশের স্বার্থে কবুল করুন, আমিন।”

প্রসঙ্গত, পঞ্চগড়-১ ও পঞ্চগড়-২ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন রাশেদ প্রধান। তবে ১১ দলের পক্ষ থেকে পঞ্চগড়-১ আসনটি এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও পঞ্চগড়-২ আসনটি জামায়াতের বোদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সফিউল্লাহ সুফিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

যেসব আসনে নির্বাচন করবে জামায়াত
দলটির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, পঞ্চগড়-২; ঠাকুরগাঁও-১, ২ ও ৩; দিনাজপুর-১, ২, ৩, ৪ ও ৬; নীলফামারী-১, ২ ও ৩; লালমনিরহাট-১, ২ ও ৩; রংপুর-১, ২, ৩, ৫ ও ৬; কুড়িগ্রাম-৩ ও ৪; গাইবান্ধা-১, ২, ৩ ও ৪; জয়পুরহাট-১ ও ২; বগুড়া-১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭; চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১, ২ ও ৩; নওগাঁ-১, ২, ৪, ৫ ও ৬; রাজশাহী-১,২, ৩, ৪, ৫ ও ৬; নাটোর-১, ২ ও ৪; সিরাজগঞ্জ-১, ২, ৪ ও ৫; পাবনা-১, ২, ৩, ৪ ও ৫; মেহেরপুর-১ ও ২; কুষ্টিয়া-১, ২ ও ৩; চুয়াডাঙ্গা-২, ঝিনাইদহ-১, ২, ৩ ও ৪; যশোর-১, ২, ৪, ৫ ও ৬; মাগুরা-১; নড়াইল-১ ও ২; বাগেরহাট-১, ২, ৩ ও ৪; খুলনা-১, ২, ৫ ও ৬; সাতক্ষীরা-১, ২, ৩ ও ৪; বরগুনা-২, পটুয়াখালী-২, বরিশাল-৪, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-১ ও ২; টাঙ্গাইল-১, ২, ৪, ৫, ৭ ও ৮; জামালপুর-২, ৪ ও ৫; শেরপুর-১ ও ৩; ময়মনসিংহ-৫ ও ৬; নেত্রকোনা-৩, ৪ ও ৫; কিশোরগঞ্জ-২, ৩ ও ৫; মুন্সীগঞ্জ-৩; ঢাকা-১, ২, ৩, ৬, ৭, ১০, ১২, ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৮; গাজীপুর-৪; নরসিংদী-৪; নারায়ণগঞ্জ-১ ও ২; রাজবাড়ী-১ও ২; ফরিদপুর-১ ও ৩; মাদারীপুর-৩; গোপালগঞ্জ-১; শরীয়তপুর-২; সুনামগঞ্জ-২, ৪ ও ৫; সিলেট-১, ৩, ৪ ও ৬; মৌলভীবাজার-১ ও ২; হবিগঞ্জ-১; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১, ৩ ও ৪; কুমিল্লা-১, ৩, ৫, ৬, ৮, ৯, ১০ ও ১১; চাঁদপুর-৩ ও ৪, ফেনী-১ ও ৩; নোয়াখালী-৩, ৪ ও ৫; লক্ষ্মীপুর-৩; চট্টগ্রাম-১, ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ১০, ১৫ ও ১৬ এবং কক্সবাজার-১, ২, ৩ ও ৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০ আসন
দলটির আসনগুলো হলো–সিরাজগঞ্জ-৩, ময়মনসিংহ-২, নেত্রকোনা-১, কিশোরগঞ্জ-৩, মানিকগঞ্জ-৩, ঢাকা-১৩, গাজীপুর-৩, নরসিংদী-৩, ফরিদপুর-২, গোপালগঞ্জ-২, মাদারীপুর-২, শরীয়তপুর-১, সুনামগঞ্জ-৩, মৌলভীবাজার-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-১, চট্টগ্রাম-৫, রাঙামাটি, কিশোরগঞ্জ-১ এবং ফরিদপুর-৪।

এবি পার্টির পাওয়া তিন আসন হলো–পটুয়াখালী-১, বরিশাল-৩ এবং ফেনী-২। সূত্র খবরের কাগজ