শিরোনাম
Passenger Voice | ০৩:৫১ পিএম, ২০২৫-১২-১৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে মাছ রপ্তানি করা হয়েছে। গত সোমবার ২৭টি ট্রাকে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৮৪৬ কেজি মাছ পাঠানো হয়। এর বাজারমূল্য বাংলাদেশি টাকায় ৩ কোটি ২২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টানা কয়েক দিন রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এক দিনেই এত বেশি মাছ পাঠানো হয়েছে। গত শনিবার ছিল ‘সেকেন্ড স্যাটারডে’। রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি। গত মঙ্গলবার বিজয় দিবসের ছুটির কারণে রপ্তানি বন্ধ ছিল। এসব কারণে সোমবার অধিক পরিমাণ মাছ রপ্তানি করা হয়।
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যে বাংলাদেশি মাছ রপ্তানি হয়। এসব রাজ্য ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে পরিচিত। এর মধ্যে রয়েছে ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ। মূলত ত্রিপুরায় মাছ পাঠানো হলেও সেখানকার ব্যবসায়ীরা পরে অন্য ছয় রাজ্যে সরবরাহ করেন।
আখাউড়া স্থলবন্দর মাছ রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক বলেন, ‘দিন দিন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের মাছের চাহিদা বাড়ছে। ওপারের বাজার অনেকটাই আমাদের মাছের ওপর নির্ভরশীল। সোমবার তিন কোটি টাকার বেশি মাছ রপ্তানি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এটি একটি রেকর্ড।’
আখাউড়া স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেসার উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘ত্রিপুরাসহ ভারতের সাতটি রাজ্যে বাংলাদেশি মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।’
তিনি জানান, সোমবার চারটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি কেজি মাছ আড়াই ডলার দরে ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে এক কোটি টাকার বেশি মাছ রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানি করা মাছের মধ্যে রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙাশ, ট্যাংরা, পাবদা ও মেনি। এর মধ্যে পাঙাশ মাছের রপ্তানি সবচেয়ে বেশি।
প্যা.ভ.ম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত