বন্দর-টার্মিনালের দেশবিরোধী চুক্তিতে জনগনের মশাল মিছিল

Passenger Voice    |    ১২:৪০ পিএম, ২০২৫-১১-১৮


বন্দর-টার্মিনালের দেশবিরোধী চুক্তিতে জনগনের মশাল মিছিল

দেশবিরোধী বন্দর-টার্মিনাল চুক্তি জনগণ মানে না বলে উল্লেখ করেছে 'বন্দর রক্ষা ও করিডোরবিরোধী আন্দোলন’ নামের একটি সংগঠন। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে ঢাকার শাহবাগে ‘বন্দর রক্ষা ও করিডোরবিরোধী আন্দোলন’ ব্যানারে আয়োজিত মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ কথা বলা হয়।  

চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল ও পানগাঁও নৌ টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তির প্রতিবাদে এ মশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইন্টেরিম সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি দেশের লাভজনক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের লালদিয়া বন্দর বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার পাঁয়তারা করছিল। সরকার জনগণের মতামত ও বাধাকে উপেক্ষা করে দ্রুতগতিতে ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চুক্তি সম্পাদিত করেছে। এতে করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পরবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘমেয়াদি এ ইজারা চুক্তির ফলে দেশের বাণিজ্য, শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করবে।

‎‎বক্তারা আরও বলেন, যদি সরকার এই দেশবিরোধী চুক্তি থেকে সরে না আসে তাহলে ইউনূসের অবস্থাও হাসিনার মতোই হবে। তাদের প্রভু আমেরিকাও তার গদি রক্ষা করতে পারবে না। অনতিবিলম্বে দেশবিরোধী এই চুক্তি থেকে সরে আসতে হবে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈর সভাপতিত্বে ও ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকান্দার হায়াত, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সরকার, যুব ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন ভুঁইয়া, ছাত্রলীগ (বিসিএল) সভাপতি গৌতম শীল, ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, ছাত্রলীগ (বিসিএল) সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান প্রমুখ নেতারা।