শিরোনাম
Passenger Voice | ০১:৪৮ পিএম, ২০২৫-০৯-২৯
খাগড়াছড়িতে চলমান উত্তেজনা ও অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে খাগড়াছড়ি-ঢাকা এবং খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কে অবরোধ শিথিল করা হয়েছে।
আহতদের উন্নত চিকিৎসা ও নিহতদের মরদেহ সৎকারের সুবিধার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছে অবরোধ আহ্বানকারী ‘জুম্ম ছাত্র জনতা’। তবে জেলার অন্যান্য সড়কে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অপর দুই জেলা রাঙামাটি এবং বান্দরবানে অবরোধ কর্মসূচি বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে তারা।
খাগড়াছড়ি পরিবহন মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দীন বলেন, ‘অবরোধের কারণে অনেকেই পূজার ছুটিতে বাড়ি যেতে পারছিল না। খাগড়াছড়িতে আটকা পড়েছিল অসংখ্য পর্যটক। তবে অবরোধ আংশিক শিথিলের খবর ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের মধ্যে ভিড় বেড়েছে। আমরা ঢাকা ও চট্টগ্রাম রুটের টিকিট বিক্রি শুরু করেছি।’
এদিকে অবরোধ আংশিক শিথিল হলেও খাগড়াছড়ি জুড়ে পরিস্থিতি এখনো থমথমে। জেলা সদর এবং গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। সন্দেহভাজন কাউকে পাওয়া গেলে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী নৈশকোচগুলো নিরাপত্তা বেষ্টনীতে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছে। আটকা পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। শহরের ভেতরে অল্প কিছু ব্যাটারিচালিত টমটম চললেও দিনমজুর ও পরিবহন শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে।
এদিকে অবরোধের কারণে কয়েকদিন ধরে আটকে আছে বেশকিছু পণ্যবোঝাই ট্রাক। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাকসবজি ও কৃষিপণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ট্রাকে নষ্ট হচ্ছে ডিমসহ অন্যান্য কাঁচামাল।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত