শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:৫৭ পিএম, ২০২৫-০৮-২৬
দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর দীর্ঘদিন ধরে অচল। করোনা মহামারির সময় অল্প কিছুদিন ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করেছে। কিন্তু এখন কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রম নেই। স্থানীয়রা জানান, রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ অঞ্চলের উন্নয়ন থমকে গেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনা ছিল। এখন কেবল কাগজে-কলমে রয়ে গেছে।
তাদের প্রশ্ন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে রেললাইন তৈরি হলো। তবে কেন বন্দর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলো না। ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল, তা কি তাহলে স্বপ্নই থেকে যাবে?
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাস্টমস অফিস ভবন নির্মিত হয়েছে। কিন্তু তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই।
বিরল উপজেলার বাসিন্দা এরশাদ আলী বলেন, ‘করোনার সময় কিছু ট্রেন আসছে। পরে কোনো ট্রেন আসেনি। আমরা ভেবেছিলাম, রেললাইন চালু হলে এলাকার ভাগ্যের চাকা ঘুরবে। কিন্তু এখন মাঠজুড়ে ঝোপঝাড় আর গরু চরে বেড়ায়।’
স্থানীয় ব্যবসায়ী মইনুদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘রেললাইন আছে। কাস্টমস অফিস আছে। চেকপোস্ট আছে। কিন্তু কার্যক্রম নেই। তবে বন্দর সচল হলে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রাণ ফিরত।’
রেললাইনের পাশেই থাকা বর্ডার আউটপোস্টের (বিওপি) সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘আমরা দুই বছর আগে যোগ দিয়েছি। আজ পর্যন্ত এই লাইনে কোনো ট্রেন চলাচল দেখিনি। সারা দিন রেললাইনের পাশে দায়িত্ব পালন করি।’
বিরল স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন বলেন, ‘করোনা সময় কিছু মালবাহী ট্রেন বন্দর দিয়ে চলাচল করেছে। পরবর্তী সময়ে বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতীয় অংশে রেল যোগাযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের অংশে সাইট লাইন নেই। এ কারণে ট্রেন আনলোড-লোড করার সুযোগ নেই। এতে কার্যক্রম অচল হয়ে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখানে রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার উদ্যোগ নিলে সব সমস্যা সমাধান হবে। বন্দরটি জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত