শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:৩৮ পিএম, ২০২৫-০৮-০৪
দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে আলু, পেঁয়াজ, আদা ও ডিমের দাম। দুদিনের ব্যবধানে প্রতিটি পণ্যে প্রকারভেদে দাম বেড়েছে ৪ টাকা থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুদিন আগে ৫০টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। ১০০ টাকার আদা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, ৪ টাকা বেড়ে আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ টাকায়। ৩০ টি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। যা দুদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ২৮০ টাকায়।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা রফিক বলেন, সেদিন এক কেজি পেঁয়াজ কিনে নিয়ে গেলাম ৫০ টাকা দিয়ে আজ শুনি ৭০ টাকা। আমাদের আয় বাড়ে না কিন্তু জিনিসের দাম বাড়ে। সরকারের কাছে অনুরোধ সব জিনিসের দাম যেনো কমে যায়।
ডিম ক্রেতা আজাদ বলেন, হঠাৎ ডিমের দাম এসে শুনি বেশি। ডিমের দাম কম হলে আমাদের নিম্নবিত্তদের জন্য ভালো। কারণ আমরা তেমন মাছ-মাংস কিনতে পারিনি তাই ডিমের দাম কম হলে ভালো।
আলু ও আদা ক্রেতা আলী হাসান বলেন, হিলি বাজারে এসে দেখি দুদিনের তুলনায় সব জিনিসের দাম বেশি। ১৪ টাকা কেজির আলু কিনতে হল ১৮ টাকা আবার ৯০ টাকা কেজির আদা কিনতে হলো ১৫০ টাকা কেজিতে। এভাবে দাম বাড়লে আমরা কীভাবে কি করবো?
হিলি বাজারের ব্যবসায়ী শাকিল আহমেদ জানান, দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ সংকটের কারণে মোকামে অনেক দাম বেড়েছে। আগে ৪৮-৫০ টাকা কেজি পেঁয়াজ কিনেছি এখন মোকামে আমাদের ৬০-৬২ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। যার কারণে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে।
হিলি বাজারের ডিম ব্যবসায়ী বলেন, খাদ্যের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে খামার মালিকেরা ডিমের দাম বেশি নিচ্ছে ফলে বেশি দামে ডিম কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক নুর আলম বাবু বলেন, দেশের বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সংকট তৈরি হয়েছে এবং দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই সরকারের কাছে অনুরোধ পেঁয়াজ আমদানি জন্য আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) দেওয়া হোক। যাতে পেঁয়াজ আমদানি করে দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক করা যায়।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত