শিরোনাম
Passenger Voice | ০২:১৯ পিএম, ২০২৫-০৭-০৭
চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, প্রবাসীরা দেশের প্রাণ। তাঁরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে রিজার্ভ বাড়ছে। টরন্টো শহরের সৌন্দর্য দেখে আমি অভিভূত। আমিও চট্টগ্রাম নগরকে টরন্টোর মতো করে গড়ে তুলতে চাই। আশা করি সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় তা সম্ভব হবে।
তিনি রোববার (৬ জুলাই) কানাডার টরন্টো এনাস পার্কে চট্টগ্রাম সমিতি-কানাডা আয়োজিত বার্ষিক পিকনিকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, আমি এ মিলনমেলায় চট্টগ্রামের সবাইকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়েছি। আপনারা চট্টগ্রামের জন্য কিছু করতে চান- একথা জেনে আমার খুব ভালো লাগছে। আপনারা চাইলে চট্টগ্রামে অনেক কিছুই করতে পারেন। আপনারা এগিয়ে আসুন, আমি আপনাদের পাশে আছি। আমি কানাডার একজন সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমান এমপির সাথে বৈঠক করেছি। তার সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আমি তাঁকে বলেছি, আমাদের দেশে স্কিল হ্যান্ড আছে। তাদের এনে কাজে লাগানো যায়। মানবসম্পদ আনা যায়। ফ্রোজেন ফুডস, চামড়া আমরা রপ্তানি করতে পারি। তারা বন্দর ব্যবহার করতে পারে। কানাডা থেকে সোলার পাওয়ার, মেশিনারি পণ্য নেওয়া যেতে পারে।
চট্টগ্রাম সমিতি-কানাডার সভাপতি আবাসন ব্যবসায়ী মনজুর চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম সমিতি একটি ঐতিহ্যবাহি সংগঠন। এ সংগঠনের মিলনমেলায় মেয়রকে পেয়ে আমরা সবাই আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত। আমরা কানাডায় থাকলেও মন প্রাণ চট্টগ্রামেই পড়ে আছে। মেয়র জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে কাজ করছেন। এজন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন, প্রবাসীরা কষ্ট করে দেশে রেমিট্যান্স পাঠায় কিন্তু বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হয়। হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাই। সুযোগ পেলে আমরা চট্টগ্রামের জন্য কিছু করতে চাই। দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের প্রাণ চট্টগ্রাম যাতে বিশ্বের এক নম্বর নগরীতে পরিণত হয় সেজন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত