শিরোনাম
News Desk | ১১:৪১ এএম, ২০১৯-১১-১৭
‘পরকীয়া’ শব্দের অর্থ বলতে যা বুঝি, তা হলো বিবাহিত কোন ব্যক্তির (নারী বা পুরুষ) স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে বিবাহোত্তর বা বিবাহ বহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক, সেটা মানসিক, দৈহিক বা দু’য়ের তাড়নায়ও হতে পারে । এটা আগেও ছিলো, এখনো আছে এবং থাকবে ।
বিয়ে একটি পবিত্র বন্ধন। কিন্তু এই সম্পর্ক সবসময় মধুর নাও হতে পারে। বিয়ে মানেই নানারকম দায়িত্ব ও নানারকম প্রত্যাশার চাপ। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় আবেগের জায়গাটা ধীরে ধীরে ফ্যাকাশে হতে শুরু করে। তখন দুজনের দোষত্রুটিগুলো বড় হয়ে চোখে ধরা পড়ে। এরপর বন্ধন আলগা হতে শুরু করলেই সেখানে প্রবেশ করতে পারে তৃতীয় পক্ষ।
আবার অনেক নারী কিংবা পুরুষ তৃতীয় ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শুধুই মনোযোগ আকর্ষণের জন্য। তারা যে এখনও আকর্ষণীয়, নিজেদের কাছে সেটা প্রমাণের তাগিদই বড়ো হয়ে দাঁড়ায়। তবে প্রতারণার আরও কিছু কারণও রয়েছে। সম্পর্কে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায় আত্মবিশ্বাসের অভাব। সঙ্গীর কাছ থেকে প্রশংসাসূচক কিছু না শোনা আর আত্মবিশ্বাসের অভাব, এসব কারণেও অনেকে তৃতীয় ব্যক্তির মধ্যে সুখ খোঁজেন।
ইদানীং পরকীয়া সম্পর্কটা বেড়ে গেছে। সম্পর্ক একবার হয়ে গেলে এ থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন। তবে যেকোনো সম্পর্ক শেষ করার সবচেয়ে ভালো উপায় সামনা-সামনি সরাসরি জানানো।
যদি সামনা-সামনি জানাতে না পারেন তাহলে ফোনে, ই-মেল লিখে সহজভাবে, বিনীতভাবে জানান। পালিয়ে গিয়ে সম্পর্ক শেষ করতে গেলে হীতে বিপরীত হতে পারে। যদি পরকীয়ায় জড়িয়েই পড়েন তাহলে সম্পর্ক বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে দুজনকেই।
এবার জেনে নেওয়া যাক পরকীয়ায় জড়িয়ে গেলে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যা যা করা যেতে পারে –
১. তৃতীয় ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার পরিণতি কী হতে পারে, সেটা ভেবে দেখুন। নিজেকে বোঝান, এর ফলে শুধু দুটো সম্পর্কই নয়, দুটো পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাস্তবের মাটিতে পা রেখে সিদ্ধান্ত নিন।
২. নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, কেন আপনি অন্যজনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ছেন। প্রতি পদক্ষেপে সঙ্গীর সঙ্গে আপনার মনের মিল হবে, তা নাও হতে পারে। যে যে ব্যাপারে আপনাদের মিল রয়েছে সেই দিকগুলো খুঁজে বের করুন। পরস্পরকে ভরসা জোগান, বন্ধু হয়ে উঠুন।
৩. সম্পর্কে অতৃপ্তি তৈরি হলে তা শোধরানোর প্রথম উপায় হলো কোনো লুকোছাপা না করে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলা, নিজের আকাঙ্ক্ষাগুলোর কথা জানানো। খোলাখুলি কথা বলার বিকল্প নেই।
৪. তৃতীয় ব্যক্তির প্রতি শারীরিক আকর্ষণ বোধ করা অস্বাভাবিক নয়। এর জন্য নিজেকে অকারণ শাস্তি দেবেন না। নিজেকে ক্ষমা করতে না পারলে বাকি জীবনটা সুস্থভাবে বাঁচা কঠিন হয়ে যাবে। অতীতকে ভুলে যান, বর্তমানকে সুন্দর করে তোলার উপর জোর দিন।
৫. তৃতীয় ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই অপরাধবোধে ভুগতে শুরু করেন। সঙ্গীকে সব কথা খুলে বলার মতো মানসিক জোরও থাকে না অনেকের। বিশেষজ্ঞেরা বলেন এ ক্ষেত্রে মন খারাপ করে না থেকে বিশ্বাসযোগ্য কোনো মানুষকে সবটা খুলে বলা ভালো।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত