শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:৪৬ পিএম, ২০২৫-০২-১৬
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারতলা ভবনের নিচ তলা বিদ্যুতের তারে আগুন লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া ওই ভবনে সাইনবোর্ড লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা মারা হলে, সেটি বারি খেয়ে ভবনটির গেটের সামনে পড়ে যায়। অন্যদিকে দোতলা একটি ভবনে পেছনের সাইটে পেট্রোল বোমা মারা হয়। কিন্তু দেয়ালের সাথে বাড়ি খেয়ে সেটি একটি ভবনের টিনের চালে পেট্রোল বোমাটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
সেখানে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য রমেশ চন্দ্র বলেন, রাত আড়াইটার দিকে কে বা কারা বিআরটিএ এর এক নম্বর ভবনে নিচের গেটের ও দোতলায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি দেখতে পেয়ে চিল্লাচিল্লি করে আমাদের অন্য সাথীদের ডেকে তুলি। তাদের নিয়ে আসে। ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড আগুন নেভানোর যন্ত্র নিয়ে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে পানীয় এস্টের মাধ্যমে আগুন নেভানো হয়। কিন্তু দোতালায় আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের লোকজন নিয়ে আসি। তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অন্যদিকে সেখানে থাকা ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, আমি ব্যাংকের বুথের ভেতর ছিলাম। হঠাৎ রাস্তায় আগুন দেখতে পাই। বের হয়ে দেখি একটি মোটরসাইকেলের দুজন ব্যক্তি হেলমেট পড়া। তারা বিআরটিএ এর পূর্ব পাশের রাস্তা দিয়ে হোন্ডা টি সজোরে চালিয়ে চলে যায়। তাড়াহুড়া করে বুথ থেকে আগুন নেভানোর স্প্রে নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি।
শেখ হাসিনার বিচার না হলে মানুষ আমাদের ক্ষমা করবে না
সিসিটিভি ফুটেছে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে উত্তরা বিআরটির অফিসের পূর্ব পাশে একটি মোটরসাইকেলযোগে তিনজন লোক আসে। তারা সেখানে একটি সড়কে অবস্থান করে। ঠিক পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে দুজন বেরিয়ে কথা বলতে বলতে বিআরটিএ এর ভবনের পশ্চিম পাশে চলে যায়। তার কিছুক্ষণ পর সেই একই সড়ক থেকে দুজন হুডি পরা চেহারা ঢেকে ভবনের সামনে আসে। এর ভেতরে মোটরসাইকেল আরোহী ওই সড়ক থেকে মোটরসাইকেলটি ঘুরিয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে একজন বিআরটিএর কেচি গেটের সামনে যান অন্য দুইজন একটির ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। কিছুক্ষণ পর কেচি গেট দাঁড়ানো সে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির সাথে এসে দেখা করেন তখন দুইটা পঁচিশ বাজে। আগুন ধরিয়ে বিআরটির ভাবন লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে ভবনের পূর্ব পাশ সড়কদরে হেঁটে চলে যায়। এ দিকে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় বাংলাদেশের রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মো. ইয়াসীন শুক্রবার বেলা ১২টায় ভবনটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি সে সময় বলেন, এটা অবশ্যই নাশকতামূলক কাজ। নিশ্চয়ই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্যই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। বিল্ডিংকে লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা গুলো নিক্ষেপ করা হয়। এটি প্রাইভেট বিল্ডিং হলেও পুরো ভবনটি সরকারি অফিস নিশ্চয়ই উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ক্ষতিপূরণের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা এখনো বলা যাবে না। যদিও সরাসরি তেমন কোনো ক্ষতির চিহ্ন দেখা যায়নি। তবুও বেশ কিছু তার সিসি ক্যামেরাসহ অন্যান্য আদার্স অনেক কিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয় তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাহাৎ খান বলেন, খবর পেয়েই সাথে সাথে আমরা বিআরটিএ অফিসে যাই। সেখানে বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করেছি। আশপাশের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটলো। যদিও আপনারা জানেন অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযান চলমান রয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সূত্র দেশ রূপান্তর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত