আরো ১৮ কোটি ৮০ লাখ ডিম আমদানির অনুমতি

Passenger Voice    |    ১১:২২ এএম, ২০২৪-১১-২০


আরো ১৮ কোটি ৮০ লাখ ডিম আমদানির অনুমতি

দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরো প্রায় ১৯ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। গতকাল ৪৩ প্রতিষ্ঠানকে এ অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আমদানি ও রফতানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরকেও চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়টি।

এর আগে গত অক্টোবরে ১৯ প্রতিষ্ঠানকে দুই দফায় সাড়ে ৮ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। সব মিলিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৭ কোটি ৩০ লাখ পিস ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। আগের সাড়ে ৮ কোটি পিস ডিম আমদানির অনুমতির মেয়াদ বলবৎ থাকবে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর নতুন ১৮ কোটি ৮০ লাখ পিস ডিম আমদানির অনুমতি বলবৎ থাকবে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

নতুন ডিম আমদানির ক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুমুক্ত দেশগুলো থেকে ডিম আমদানি করতে হবে, ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রফতানিকারক দেশের সরকার নির্ধারিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দেয়া বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকার সনদ দাখিল করতে হবে, প্রতিটি চালানের কমপক্ষে ১৫ দিন আগে সংশ্লিষ্ট সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তাকে জানাতে হবে ইত্যাদি।

দেশের বাজারে কিছুদিন আগেও প্রতি ডজন ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন সরবরাহে ঘাটতির কারণে ডিম পাওয়া যাচ্ছিল না বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। এরপর আমদানির অনুমতি দেয়ার পর ডিমের দাম কমে আসে। বর্তমানে ঢাকার বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৪৪ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশনের (টিসিবি) তথ্যে উঠে এসেছে।

বাজারে ডিমের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পণ্যটি আমদানিতে সাময়িকভাবে শুল্ক-কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছিল বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। এরপর ১৭ অক্টোবর এটি আমদানিতে করছাড় ঘোষণা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে ডিম আমদানিতে শুল্কহার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ শুল্ক-সুবিধা থাকবে।