শিরোনাম
Passenger Voice | ০৩:৪৮ পিএম, ২০২৪-১০-২৪
আমদানি অব্যাহত থাকায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এতে একদিনের ব্যবধানে মসলাপণ্যটির দাম কেজিতে ৫-৭ টাকা কমে গেছে। সরবরাহ ভালো থাকলে দাম বাড়ার তেমন সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বন্দরের আমদানিকারকরা।
বন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিলি দিয়ে ইন্দোর ও বেলোরি এ দুই জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। একদিন আগে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে কেজিপ্রতি ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল তা কমে ৮৩ টাকা দরে বিক্রি হয়। এছাড়া বেলোরি জাতের পেঁয়াজ আগের দিন ৯৩ টাকা বিক্রি হলেও গতকাল তা কমে ৮৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী জানান, পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক থাকায় দাম কমতে শুরু করেছে। এতে পেঁয়াজ কিনতে পুঁজি কম লাগছে। পাইকারিতে কম দামে বেচাকেনা হওয়ায় সাধারণ ভোক্তারাও কম দামে কিনতে পারছেন।
বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম জানান, ভারতের মহারাষ্ট্রে সম্প্রতি বৃষ্টিপাত হওয়ায় পেঁয়াজের আবাদ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চাহিদা মোতাবেক পেঁয়াজ না পাওয়ায় আমদানি কিছুটা কমে গিয়েছিল। ফলে দামও আগের চেয়ে কিছুটা বেড়ে যায়। বর্তমানে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় আমদানি স্বাভাবিক হয়েছে। পাশাপাশি মিসর, পাকিস্তান, তুরস্ক ও চায়না থেকেও পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। ফলে পেঁয়াজের দাম শিগগিরই বাড়ার তেমন সম্ভাবনা নেই।
হিলি স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী এসএম জোবায়ের বলেন, ‘বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে পরিমাণ ওঠানামা করছে। পেঁয়াজ পচনশীল দ্রব্য হওয়ায় কাস্টমসের প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত খালাসে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত