শিরোনাম
Passenger Voice | ১০:৫৩ এএম, ২০২৩-১২-০৯
শুষ্ক মৌসুমে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো আর বর্ষায় দড়ি টানা নৌকা। এটাই দুই গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। এভাবে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় ফটিকছড়ির পাঁচ পুকুরিয়া ও পূর্ব সুয়াবিল গ্রামের বাসিন্দাদের। দীর্ঘদিনের দাবি, হালদায় সেতু নির্মাণ।
অবশেষে পাঁচপুকুরিয়া সড়কের চেইনেজ হালদা নদীর ওপর ২৪০ মিটার মিটার সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছে এলজিইডি।
সুয়াবিল ইউনিয়নের সিদ্ধাশ্রম, সুন্দরপুরের পাঁচপুকুরিয়া, ফটিকছড়ি, নাজিরহাট পৌরসভার অর্ধ-লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত এই সেতু দিয়ে।
স্থানীয়রা জানান, পাঁচ পুকুরিয়া ও পূর্ব সুয়াবিল গ্রামে ব্যাপক সবজির চাষ হয়। সেতু না থাকার কারণে সবজি বিক্রি করতে গেলে দ্বিগুণ দাম দিতে হয় কৃষকদের। সবজি বাজারে নেওয়ার জন্য ১০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। সবজি নিতে গুণতে হয় প্রতি গাড়িতে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা। সেতু নির্মিত হলে ভাড়া হবে ১২০০ টাকা।
জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর বিকেলে ফটিকছড়ির সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর পক্ষে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করবে এলজিইডি। কাজ শুরু করতে সময় লাগবে আরও ২ মাস। সেতুর সঙ্গে নির্মিত হবে প্রায় ১ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক। সেতু নির্মাণ হলে এতে দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগে দূরত্ব কমবে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার।
উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ বলেন, এ সেতুর মাধ্যমে সুয়াবিল এবং পৌরসভার একাংশের সঙ্গে ফটিকছড়ির লিংক রোড হবে। কৃষিপণ্য সহজে আনা-নেওয়া যাবে এবং মানুষের জীবনমান সহজ হবে।
প্যা/ভ/ম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত