শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:১৬ পিএম, ২০২৩-০৯-০২
দেশের অন্যতম বৃহৎ নির্মাণ প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের যাত্রা শুরু হচ্ছে কিছুক্ষণ পর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ কাওলা থেকে ফার্মগেট অংশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তবে এক্সপ্রেসওয়ের সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে আগামীকাল সকাল ৬টা থেকে।
এটিই ঢাকার বুকে প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। অর্থাৎ কোনো ধরনের ট্রাফিক সিগনাল ছাড়াই নির্বিঘ্নে গাড়ি চলাচল করতে পারবে।
বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট ১১ কিলোমিটার পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ১২ মিনিট। এর আগে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে চালু করে বর্তমান সরকার। এই হিসাবে বাংলাদেশে এটি দ্বিতীয় এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে।
সেতু বিভাগ জানিয়েছে, এক্সপ্রেসওয়ে আজ উদ্বোধন করা হলেও সর্বসাধারণের গাড়ি চলাচল শুরু হবে কাল রোববার থেকে। এদিন সকাল ৬টায় এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেওয়া হবে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই এক্সপ্রেসওয়ে খোলা থাকবে। উত্তরা থেকে ফার্মগেটগামী গাড়ি তিনটি স্থান থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে ঢুকতে পারবে। সেগুলো হচ্ছে-হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিণ পার্শ্বে অবস্থিত কাওলা, প্রগতি সরণি (কুড়িল) এবং আর্মি গলফ ক্লাব।
এসব স্থান থেকে ওঠা গাড়ি বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, মহাখালী বাস টার্মিনাল ও ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডের পার্শ্বে নামতে পারবে। অপরদিকে উত্তরাগামী গাড়ি বিজয় সরণি ওভারপাসের উত্তর ও দক্ষিণ লেন এবং বনানী রেলস্টেশনের সামনে থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে পারবে। এসব গাড়ি মহাখালী বাস টার্মিনাল, বনানী, কুড়িল বিশ্বরোড ও বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সামনে নামতে পারবে।
এজন্য এয়ারপোর্টে দুটি, কুড়িলে তিনটি, বনানীতে চারটি, মহাখালীতে তিনটি, বিজয় সরণিতে দুটি ও ফার্মগেটে একটি র্যাম্পও রয়েছে। এই ১৫টি র্যাম্পের মধ্যে মহাখালী ও বনানী অংশে দুটি র্যাম্প আপাতত বন্ধ থাকবে। বাকি ১৩টি র্যাম্প দিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি প্রবেশ ও বের হতে পারবে। তবে যেসব স্থানে গাড়ি নামবে, সেসব পয়েন্টে যানজটের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্যা/ভ/ম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত