এলসি জটিলতায় ভুগছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

Passenger Voice    |    ০২:৪৫ পিএম, ২০২৩-০৪-০২


এলসি জটিলতায় ভুগছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। তবে ডলারের দাম স্থিতিশীল হলেও পর্যাপ্ত ডলার না থাকার অজুহাত দিচ্ছে কিছু ব্যাংক। ফলে বিপাকে পড়ছেন ছোট ব্যবসায়ীরা।

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি থাকলেও তাতে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ে নেই শঙ্কা। রফতানি আয় ও রেমিট্যান্সে ভর দিয়ে আবারও শক্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। সেই সঙ্গে ডলারের হাহাকার ধীরে ধীরে কমে আসায় প্রতি মাসেই বাড়ছে এলসির (ঋণপত্র) পরিমাণ। তবে চাহিদা অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রা না থাকায় ব্যাংকের সঙ্গে লিয়াজো করতে পারছেন না নতুন উদ্যোক্তা বা ছোট ব্যবসায়ীরা।

এমনটাই অভিযোগ খোদ বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই)। এ বিষয়ে এফবিসিসিআই পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ বলেন, বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো মোটামুটিভাবে এলসি খুলতে পারছে। তবে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো কিন্তু একদমই পাচ্ছে না। কাজেই ছোট ব্যবসায়ীরা যদি টিকে থাকতে না পারে, তাহলে সবাই সমস্যা ভোগ করবেন।

যার অর্থ যেমন, তার ব্যবসার আকার তেমন। সেক্ষেত্রে ছোট আমদানিকারকদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দিতে অ্যাসোসিয়েশন তৎপর হওয়ার পরামর্শ দেন অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যদি এ বিষয়েটিতে নজর দেন যে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু প্রায় একই ধরনের পণ্য আমদানি করে থাকে সেহেতু এ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একসঙ্গে অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এলসি খোলা ব্যবস্থা করা যায় কি না। কেননা, আমদানি জটিলতায় এ ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারছেন না।’
 
এদিকে এলসি খোলার পরিমাণ বাড়ছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ যে ব্যাংকগুলো পণ্য আমদানিতে ডলারের জোগান দিতে পারবে, আমদানিকারকরা যেন সেসব ব্যাংকে যান।
 
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ‍মুখপাত্র মো. মেসবাউল হক বলেন, ‘কোনো কোনো ব্যাংকের নিজস্ব সক্ষমতা রয়েছে। সুতরাং এসব ব্যাংকে আমদানিকারকরা গেলে সহজে এলসি খুলতে পারবেন।’ 

প্যা/ভ/ম