সড়ক পরিবহন আইনে নতুন সংযোজন দাবি

Passenger Voice    |    ০৩:৫৩ পিএম, ২০২৩-০১-২৪


সড়ক পরিবহন আইনে নতুন সংযোজন দাবি

সড়ক পরিবহন আইনে নতুন অধ্যায় সংযোজনের দাবি জানিয়েছেন রোড সেইফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যু ও দীর্ঘমেয়াদী পঙ্গুত্বের অন্যতম প্রধান কারণ সড়ক দুর্ঘটনা।

সংবাদ সম্মেলনে চিত্রনায়ক দাবি করেন, সড়ক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ের সমন্বয়ে বর্তমান আইনে একটি পৃথক অধ্যায় সংযোজন করা হোক। অথবা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পাঁচটি পিলার বা ‘সেইফ সিস্টেমস এপ্রোচ’ পদ্ধতিতে একটি পৃথক সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হোক।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত ‘গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট অন রোড সেইফটি ২০১৮’- এর তথ্যমতে, বিশ্বে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় (রোড ক্রাশ) প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এ ছাড়াও ২০ থেকে ৫০ লাখ মানুষ বিভিন্ন মাত্রায় আহত হয় বা পঙ্গুত্বের শিকার হয়। সড়ক দুর্ঘটনা (রোড ক্রাশ) ৫ থেকে ২৯ বছর এবং আরও কমবয়সী শিশুদের জন্য মৃত্যুর ১ নম্বর কারণ। সব বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে এটি অষ্টম প্রধান কারণ।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ওই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্বব্যাপী ৯০ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা (রোড ক্রাশ) ঘটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। যার সংখ্যা উন্নত দেশের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের চিত্র অনেকটা একই রকম।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় (রোড ক্রাশ) প্রায় ২৫ হাজার মানুষ নিহত হয়। আর বাংলাদেশ পুলিশের তথ্যমতে, ২০২২ সালে দেশে ৫ হাজার ২০০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ৬৩৮ জন নিহত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় (রোড ক্রাশ) হতাহত ব্যক্তিদের বেশিরভাগই বয়সে তরুণ বা যুবক এবং নানাবিধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, গ্লোবাল হেলথ এডভোকেসি ইনকিউবেটরের কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর শরিফুল আলম, ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা পরিচালক আহমেদ নাজমুল হুসেইন, রোড সেইফটির প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান, বুয়েটের অধ্যাপক ড. শাইফুন নেওয়াজ প্রমুখ।