শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:০১ এএম, ২০২২-১২-৩০
মেট্রোরেলে যাতায়াতের নিয়মকানুন পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেনি যাত্রী সাধারণ। এ জন্য স্টেশনে ঢুকতে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি থাকলেও ট্রেন আসা-যাওয়া করছে আসন ফাঁকা রেখেই।
শুক্রবার ছুটির দিনের সকালে এক নম্বর স্টেশন উত্তরার দিয়াবাড়ীতে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ স্টেশনের মূল ফটক থেকে একসঙ্গে সবাইকে প্ল্যাটফর্মে ঢুকতে দিচ্ছে না। এছাড়া টিকিট কেনার পর প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের প্রবেশের বিষয়টি বুঝতে সময় লাগছে যাত্রীদের। স্কাউট সদস্য ও নিরপত্তা কর্মীরা যাত্রীদেরকে বিষয়টি বুঝিয়ে দিতে চেষ্টা করছেন। তবে এতে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের।
এদিকে মেট্রোরেলের আগারগাঁও স্টেশনে দ্বিতীয় দিনেও টিকিট ভেন্ডিং মেশিন বিকল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যাত্রীরা নির্ধারিত গন্তব্যের টিকিট হাতে পেলেও তাদের কাছ থেকে টাকা কাটা হয়নি। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় টিকিট বিক্রয় মেশিনের এ ত্রুটি ধরা পড়ে।
মেট্রোরেলের জেনারেল ম্যানেজার ইফতেখার হোসেন জানান, এখন সীমিত পরিসরে চালু হলেও উচ্ছ্বাস ও কৌতূহলের কারণে দর্শনার্থী অনেক বেশি।
সবাই একসঙ্গে প্ল্যাটফর্মে ঢুকলে সমস্যার সৃষ্টি হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথম প্রথম মানুষের একটু ভিড় থাকবেই। পরিবহণটি নতুন। এতে যাত্রীদের অভ্যস্ত হতে একটু সময় লাগবে।’
মেট্রোরেলের এ কর্মকর্তা জানান, ট্রেনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাত্রী থাকুক বা না থাকুক- মেট্রোরেল ছেড়ে যাবে। এক্ষেত্রে কোনো ট্রিপে যাত্রী বেশি থাকবে, আবার কোনোটায় কম থাকবে।
এখান প্রতিটি ট্রেন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ২৫ বার রাউন্ড দেবে বলে জানান জেনারেল ম্যানেজার। বর্তমানে প্রতিটি স্টেশনে এক মিনিট বা তার চেয়ে একটু বেশি সময় ট্রেন অপেক্ষা করছে।
‘ধীরে ধীরে এই সময় কমিয়ে আনা হবে’ বলেন জেনারেল ম্যানেজার ইফতেখার হোসেন।
প্যা.ভ/ত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত