শিরোনাম
Passenger Voice | ০১:১২ পিএম, ২০২২-০৯-০৯
অভিনেত্রী নার্গিস ফাকরি শারীরিকভাবে অসুস্থ। বলিউডের লাইমলাইটের ঝলক তাঁকে শারীরিক এবং মানসিক দুই দিক থেকেই তাঁর জীবন দুর্বিসহ করে দিয়েছে।
ইমতিয়াজ আলীর চলচ্চিত্র, অভিনেতা রণবীর কাপুর অভিনীত ‘রকস্টার’দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন এই অভিনেত্রী। মাত্র কয়েকটি বলিউড ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি।
তারপরেই বিরতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকা শুরু করেন। অনেকদিন ধরেই বড়পর্দায় এই অভিনেত্রীর দেখা মিলছে না।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী নার্গিস ফাকরি প্রকাশ করেছেন যে, ‘বলিউডের লাইমলাইটের ক্রমাগত ঝলক তাঁকে মানসিক এবং শারীরিক দিক দিয়ে একেবারে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে। এত কাজ করতে করতে তিনি শারীরিক দিক দিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং অনেক মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন।
নার্গিস বলছেন, ‘আমার অনেক শারীরিক অসুস্থতা আমার দৈনন্দিন জীবনে হস্তক্ষেপ করছিল। এই সমস্যাগুলো উপেক্ষা করা খুব কঠিন ছিল। আমার শরীর, এককভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হচ্ছিল না। তাই আমি মনে মনে ভেবেই নিয়েছিলাম যে, আমাকে বিরতি নিতে হবে কারণ আমি সুখী ব্যক্তি নই। ’
এমনকি নার্গিস ইন্ডাস্ট্রিকে হ্যামস্টার হুইলের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, আমার প্রতিটি মুহূর্ত একটি ইঁদুর দৌড়ের মতো অনুভূত হচ্ছিল। তিনি নিজের আত্মাকে ছবির চরিত্রের জন্যে প্রস্তুত করতে পারছিলেন না। তাঁর ‘মনই তাঁর শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল’।
এরপরে তিনি বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যদিও বিরতি নেওয়ার আগে, ছবির একাধিক সংস্থা তাঁকে বলেছিল ‘দৃষ্টির বাইরে, মনের বাইরে’। অবশ্য তিনি বলছিলেন, ‘তাঁরা আমাকে বিরতি নিতে না করেছিল এবং আমাকে সতর্ক করেছিল যে আমি যদি দৃষ্টির বাইরে চলে যাই, আমি মানুষের মনের বাইরেও চলে যাব। এর কিছু সত্য তো আছে বটেই। ’
কিন্তু আমার উত্তর ছিল, ‘আমি নিজে কতটা এখানে থাকতে চাই, সেই হিসেবে আমি পাবলিকের কথা ভাবব তাই না?’
তবে ইন্ডাস্ট্রিতে যতদিন ছিলেন তিনি, তাঁর অভিনয়, পর্দার প্রেজেন্টেশন অনেকের দ্বারা সমালোচিত হয়েছিল। কাজের ফ্রন্টে, নার্গিসকে শেষ দেখা গিয়েছিল তোরবাজে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত