শিরোনাম
Passenger Voice | ০১:১৫ পিএম, ২০২২-০৭-১১
ঢাকায় বসবাস করা মানুষ ঈদের পরদিনও গ্রামের বাড়িতে ছুটছেন। সকাল থেকে গাবতলী দূরপাল্লার বাস কাউন্টারে ভিড় দেখা গেছে। গণপরিবহনে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় কোনো কোনো পরিবহন বাড়তি ভাড়া আদায় করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার সরেজমিন দেখা গেছে, ঈদের আগে সুবিধামত টিকিট না পাওয়ায় অনেকে ঈদের পরদিন বাড়ি যাওয়ার জন্য পরিবারসহ গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে এসেছেন। নির্ধারিত স্থানের টিকিট সংগ্রহ করে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। টিকিটের চাহিদা বেশি থাকায় কেউ কেউ নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে। তবে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় দূরপাল্লার বাসগুলো খুব বেশি বিলম্ব করে ছাড়ছে না বলে জানা গেছে। খবর জাগো নিউজ
দক্ষিণবঙ্গে চলাচলা করা হানিফ এন্টারপ্রাইজের সাব্বির জানান, ঈদের আগে যারা যেতে পারেনি তারা ঈদের পরদিন বাড়ি যেতে টিকিটের জন্য আসছেন। অনেকেই কাজে ব্যস্ততা থাকায় তারা এখন বাড়ি যাচ্ছেন। যাত্রীর চাপ থাকায় প্রতি এক ঘণ্টা পরপর তারা গাড়ি ছাড়ছেন। সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৮টি দূরপাল্লার বাস ছেড়ে গেছে বলে জানান তিনি।
সাভারে থাকেন উত্তরা মজুমদার। ঈদের আগে বাড়ি যাওয়ার জন্য টিকিট না পাওয়ায় ঈদের পরদিন যাচ্ছেন। সকাল দশটায় গাবতলীতে এসে খুলনার টিকিট সংগ্রহ করেছেন। বাসের জন্য তাকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
উত্তরা বলেন, চেয়েছিলাম ঈদের আগে বাড়ি যাবো কিন্তু সুবিধামতো টিকিট না পাওয়ায় সেটি সম্ভব হয়নি। সে কারণে একদিন পর যাচ্ছি। তবে ছুটি বেশি না থাকায় চারদিন পর আবার ঢাকায় ফিরবেন বলে জানান।
গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে সূর্যমুখী পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার মিন্টু বলেন, দেশের বাড়িতে যেতে সকাল থেকে অতিমাত্রায় যাত্রী আসছেন। সে কারণে কাউকে কাউকে সুবিধামতো টিকিট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় সকাল থেকে ৮টি বাস ছাড়া হয়েছে। তবে আগামীকাল থেকে এ ভিড় কমে যাবে বলে জানান তিনি।
উত্তরা এয়ারপোর্ট থেকে সকাল সকাল গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে এসেছেন শিক্ষার্থী আল মামুন। দেরি করে ছুটি হওয়ায় আজ সাতক্ষীরা গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। মামুন জানান, সকাল সকাল গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে আসলেও টিকিটের দাম বেশি চাওয়ায় কয়েকটি কাউন্টার ঘুরে বেশি দামেই নিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, অন্যান্য সময় সাতক্ষীরা যেতে ৫০০-৫৫০ টাকা নেওয়া হলেও বর্তমানে ৮০০ টাকা টিকিটের দাম নেওয়া হচ্ছে। কম না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে বেশি দামে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়েছে। তার মতো এমন অনেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেন।
সাতক্ষীরা রোডে চলাচলরত এ লাইন পরিবহনের তরিকুল ইসলাম জানান, যাত্রীর চাপ বেশি থাকলেও তাদের পরিবহনের সংখ্যা কম থাকায় সকাল থেকে দুটি বাস ছাড়া হয়েছে। তবে বিআরটির নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত