শিরোনাম
Passenger Voice | ০২:৫২ পিএম, ২০২২-০৭-০৭
ঢাকার গাবতলী আন্তজেলা বাস টার্মিনালে যাত্রীদের হালকা চাপ রয়েছে। অধিকাংশ পরিবহনের টিকিট অগ্রিম বিক্রি হয়ে গেছে। তবে কম পরিচিত ও অগ্রিম টিকিট বিক্রি করে না, এমন কিছু পরিবহনে আসন ফাঁকা পাওয়া যাচ্ছে।
আজ সকাল ও দুপুরে গাবতলী বাস টার্মিনালে বেশি পরিচিত ও কম পরিচিত মোট ১৪টি পরিবহনের কাউন্টারে আসন ফাঁকা আছে কি না, জানতে চাওয়া হয়। তার মধ্যে ১০টি কাউন্টার থেকে জানানো হয়, আসন ফাঁকা নেই। চারটি থেকে বলা হয়, ফাঁকা আছে। বেশি পরিচিত পরিবহনগুলোয় আসন ফাঁকা পাওয়া যায়নি। উত্তরাঞ্চলগামী বেশি পরিচিত পরিবহনগুলোয় ঈদের দিন পর্যন্ত আসন ফাঁকা নেই।
ঢাকা থেকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চলাচলকারী দেশ ট্রাভেলসের কাউন্টার থেকে জানানো হয়, তাদের ঈদের দিন পর্যন্ত আসন ফাঁকা নেই। তবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতকারী বেশি পরিচিত পরিবহনগুলোয় আজ ও আগামীকালের আসন ফাঁকা নেই। আগামী শনিবারের আসন ফাঁকা রয়েছে।
ঢাকা থেকে মাগুরা, যশোর, সাতক্ষীরা রুটে যাতায়াত করে গাবতলীর এমআর এন্টারপ্রাইজের বাস। পরিবহনটির জেনারেল ম্যানেজার মো. বাবু প্রথম আলোকে বলেন, ‘যাত্রীর চাপ ভালো। সন্ধ্যার দিকে আরও চাপ বাড়তে পারে। সকাল ৯টার আগে তিনটি শিডিউল ট্রেন ছিল। সেগুলো ছেড়ে গেছে। আবার সন্ধ্যার দিকে ট্রিপ আছে। আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত আমাদের কোনো সিট ফাঁকা নেই।’
অনেকেই দেখার জন্য হলেও পদ্মা সেতু দিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে মো. বাবু বলেন, ‘তবে এর প্রভাব আমাদের এখানে খুব একটা পড়ছে না।’
ঢাকা থেকে দর্শনা, চৌগাছা, পুড়াপাড়া রুটে চলাচলকারী জেলাইন পরিবহনেও আজ ও আগামীকাল কোনো সিট নেই। কাউন্টার মাস্টার মো. রানা বলেন, ‘এখন ভালো চাপ আছে। বিকেলে আরও বাড়তে পারে। তবে আমাদের কোনো সিট ফাঁকা নেই।’
বেসরকারি চাকরিজীবী শফিকুল ইসলাম যাবেন মাগুরায়। তিনি বলেন, ‘চার-পাঁচটা কাউন্টার ঘুরলাম, একটাতে আজ ও কালকের সিট ফাঁকা নেই।’ তবে ঢাকা থেকে রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া রুটে যাতায়াতকারী সৌহার্দ্য পরিবহনের ম্যানেজার স্বপন কুমার দাস দাবি করেন, ‘হালকা চাপ আছে। তবে আমাদের বাসে পেছনের দিকে সিট দু-একটা ফাঁকা যাচ্ছে। তবে বিকেল নাগাদ যাত্রীর চাপ বাড়তে পারে, তখন পেছনের আসনও পূরণ হয়ে যাবে।’
ঢাকা থেকে যশোর, খুলনা রুটে চলাচলকারী দ্রুতি পরিবহনে সিট ফাঁকা রয়েছে। নাম না বলে এই পরিবহনের কাউন্টারের একজন বলেন, ‘আমরা অগ্রিম টিকিট বিক্রি করি না। তাই আমাদের সিট ফাঁকা আছে।’
দ্রুতি পরিবহনে করে যশোরে যাবেন হুমায়ুন কবির নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘যেসব পরিবহন দিয়ে যশোরে যাই, সেগুলোতে সিট ফাঁকা নেই। দ্রুতি দিয়ে এর আগে যাইনি। তারা ভাড়া নিয়েছে ৬০০ টাকা। অন্য বাসে এর চেয়ে একটু বেশি ভাড়া।’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত