ঈদযাত্রা: কয়েকটি ট্রেন দেরিতে ছাড়লেও সন্তুষ্ট যাত্রীরা

Passenger Voice    |    ০৪:১২ পিএম, ২০২২-০৭-০৬


ঈদযাত্রা: কয়েকটি ট্রেন দেরিতে ছাড়লেও সন্তুষ্ট যাত্রীরা

এবার ট্রেনে ঈদযাত্রা বেশ স্বস্তিতেই কাটছে সাধারণ মানুষের। বুধবার ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে তেমন ভিড় নেই রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে। বেশির ভাগ ট্রেনই ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। তবে কয়েকটি ট্রেন কিছুটা দেরিতে ছেড়েছে। আর রেলপথে ঈদযাত্রায় যানজটের ভোগান্তি নেই বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

সকালে কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মগুলোয় যাত্রীর চাপ অতটা নেই। যেসব টিকিটপ্রত্যাশী ২ জুলাইয়ে অগ্রিম ঈদযাত্রার টিকিট কেটেছেন, আজ তারা যাত্রা করছেন।

কমলাপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল সাড়ে ১০টায় ছাড়ার কথা। সেটি ১৫ মিনিট দেরি করে ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে যায়। কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ার কথা। সেটি ৩০ মিনিট দেরি করে স্টেশন ছাড়ে বেলা সোয়া ১১টায়। সিলেটের জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ১১টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার কথা। সেটি ৩০ মিনিট দেরি করে দুপুর পৌনে ১২টায় স্টেশন ছেড়ে যায়।

এর আগে সকালে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্ল্যাটফর্মে ছাড়ে। এ ছাড়া সকাল থেকে বাকি ট্রেনগুলো নির্দিষ্ট সময়ের কাছাকাছি সময়ে কমলাপুর স্টেশনে ছেড়ে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তবে দেরির বিষয়টি মানতে নারাজ কমলাপুর রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া ধূমকেতু এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, নীলসাগর এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী, তিস্তা এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, মহুয়া কমিউটার, কর্ণফুলী কমিউটার নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি সময়েই কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়ে যায়।

স্টেশন ছাড়তে কিছুটা দেরি হলেও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন জামালপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী রাশেদুল ইসলাম। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ঈদের ছুটি নিয়ে পরিবারের দুই সদস্যকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১০টায় জামালপুর এক্সপ্রেস স্টেশন ছাড়ার কথা। সেটি ১৫ মিনিট দেরি করে। ট্রেনটি ছাড়ার আগে রাশেদুল বলেন, ট্রেনের টিকিট কাটতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। প্রায় ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষার পর টিকিট কাউন্টার থেকে পেয়েছিলাম। আজ বাড়ি যাচ্ছি। ট্রেনটি ১৫ মিনিট দেরি ইতিমধ্যেই। ১৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা দেরি মানা যায়। বড়সড় কোনো শিডিউল বিপর্যয় হয়নি এটাই ভালো কথা।

কমলাপুর রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ১৮টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যায়। সকালের দিকে কোনো ট্রেনে বিলম্ব হয়নি। রংপুর এক্সপ্রেস ৫০ মিনিট দেরিতে কমলাপুর এসে পৌঁছেছে। তাই ট্রেনটির সঠিক সময়ে আমরা ছাড়তে পারিনি।’

মাসুদ সারওয়ার বলেন, আজ রাজধানী থেকে ট্রেনে অন্তত ৫৫ থেকে ৬০ হাজার মানুষ রাজধানী ছাড়তে পারবে। দিনে ও রাতে ৩৭ জোড়া ট্রেন কমলাপুর থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।