আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেখেছি

Passenger Voice    |    ১১:১৮ এএম, ২০২২-০৬-২৫


আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেখেছি

সন্নিকটে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুরু হয়েছে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় খরস্রোতা পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত সেতুর উদ্বোধনে ক্ষণিকের অপেক্ষা। সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ জড় হন মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেখতে এসে অভিনেত্রী শাওন শনিবার (২৫ জুন) বলেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, কিন্তু পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আমরা স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছি, এটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়, অসাধারণ অনুভূতি। আমরা যে জাতিগতভাবে হার না মেনে নেয়া জাতি, আমরা চাইলে যে অধিকার আদায় করতে পারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বদৌলতে আমরা তা আবার প্রমাণ পেলাম।’

শনিবার সকাল ১০টায় পদ্মা সেতুর মাওয়া পয়েন্টে সমাবেশ শুরু হয়। এতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমরা যে অল্প সময়ে এই কাজটি শেষ করতে পেরেছি তার একমাত্র এবং প্রধান কারিগর হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা বিষয়টি প্রত্যক্ষভাবে দেখেছি সবকিছু। এ সেতুর মাধ্যমে তিনি জাতিকে আত্মমর্যাদার অধিকারী হিসেবে বিশ্বে  প্রতিষ্ঠা করেছেন।

এ সময় তিনি দুই পাড়ের সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমার ৪০ বছরের চাকরি জীবনে অনেক প্রকল্পে কাজ করেছি। কিন্তু পদ্মা সেতুর খবর যখন তারা শুনল তখন নিজেদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি ছেড়ে দিয়েছে এ সেতুর জন্য। যেখানে তারা জীবনের ৫০ বছর কাটিয়েছে সেই আবেগের জায়গা ছেড়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর একটি উদ্যোগে। তাদের কোনো দুঃখ নেই এখন। তারা ভিটেমাটি হারিয়ে গর্ববোধ করছেন।

প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে জাজিরা পয়েন্টে পৌঁছে সেতু ও ম্যুরাল-২ এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। সেখানে মোনাজাতেও যোগ দেবেন তিনি।

দুপুর ১২টায় মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়িতে সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত দলের জনসভায় যোগ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৫টায় হেলিকপ্টারে জাজিরা পয়েন্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।