শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:১৭ এএম, ২০২২-০৬-১৪
পিছিয়ে থাকা জনপদে নতুন আলোর রশ্মি। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ পেতে যাচ্ছে বহুমাত্রিক যোগাযোগের সুবিধা। নৌপথনির্ভর যাতায়াতে যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এর প্রভাবে দীর্ঘদিন সুবিধাবঞ্চিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আর্থসামাজিক কাঠামোতে আসবে দিনবদলের ছোঁয়া।
দক্ষিণবঙ্গ মানেই যেন নৌপথ। বিশেষ করে বৃহত্তর বরিশালে যাতায়াতে যেন নৌপথের ওপরই ভরসা রাখতে হয়। লঞ্চ তো আছেই, এ অঞ্চলে সড়কে চলতে হলেও ফেরির বিকল্প ছিল না এতদিন।
অবশেষে অবসান ঘটছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার। নৌনির্ভর এ পথে এবার দিনবদলের স্মারক এখন পদ্মার বুকে ঠায় দাঁড়িয়ে। অপেক্ষা ২৬ জুনের। দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দারা বলেন, আমরা অপেক্ষায় আছি কাঙ্ক্ষিত দিনটির। যেখানে বাড়ি যেতে দুপুর ৩টা বাজত। এখন ১২টার মধ্যেই পৌঁছে যাব।
বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এবার আরও একধাপ এগিয়ে গেল দীর্ঘদিনের অবহেলিত এ জনপদ। শুধু কি সেতু ঢাকা থেকে মাওয়া আর জাজিরা থেকে ভাঙ্গা দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে এ পথে সড়কেও এনেছে ভিন্ন মাত্রা।
এদিকে এক সেতুতেই দুই পাড় যুক্ত করতে সমানতালে চলছে রেলের কাজও। এ পথে রেললাইন যুক্ত হলে দেশের প্রথমবারের মতো বহুমাত্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ সময় ভোগান্তিতে ছিল। এ প্রথম দক্ষিণাঞ্চলের ২০ জেলার মানুষ পেতে যাচ্ছে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন এত দিন ধরে পিছিয়ে থাকা এ জনপদে পৌঁছাবে নতুন আলোর রশ্মি। এখানে অর্থনীতির চাকায় যেমন গতি আসবে, তেমনি বদলে যাবে আর্থসামাজিক অবস্থাও।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত