শিরোনাম
Passenger Voice | ০১:১১ পিএম, ২০২২-০৬-১৩
পদ্মা সেতু ঘিরে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চার জেলার নদীতীরে বিশাল এলাকা অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি বনায়ন কর্মসূচিও এগিয়ে চলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে সেতু নির্মাণের প্রভাব মোকাবিলায় জলজ প্রাণী বিচরণের পাশাপাশি বাড়বে মাছের উৎপাদন।
বিশাল পদ্মার মাওয়া প্রান্ত আর জাজিরার সঙ্গে বন্ধন তৈরি করেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। সেতু ঘিরে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত রাখতে পুরো এলাকা সুরক্ষায় জলাভূমি, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কার্যক্রম টিম লিডার ড. এস এম এ রশিদ বলেন, ‘তিন বছর ধরে এখানে যে জীববৈচিত্র্য আছে, পশুপাখি, গাছপালা, মাছ এ সবকিছুই আমরা মনিটর করছি। মূলত পদ্মা সেতুর কারণে এসবে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না অথবা কোনো খারাপ প্রভাব পড়ছে কি না, সেটা যাচাই করা।’ এটি কার্যকর হলে পদ্মা ফিরে পাবে হারানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ইলিশসহ সব মাছের প্রসার আরও বাড়বে।
মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি বলেন, প্রকৃতির যে স্বাভাবিকত্ব, তা যেন কখনো নষ্ট না হয়।
এদিকে তিনটি সার্ভিস এরিয়া, জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তসহ আশপাশে এ পর্যন্ত প্রায় পৌনে দুই লাখ বৃক্ষ রোপণ করেছে সেতু বিভাগ।
পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যেখানে শেষ করেছে, আমরা সেখান থেকে এ প্রকল্পটি শুরু করেছি। সেখানে পরিবেশের যে গাইডলাইন দেয়াছিল, সেগুলো আমরা ফলো করেছি।’
অভয়ারণ্যের ৮১ বর্গকিলোমিটার কোর জোন ও ৩৬ বর্গ কিলোমিটার বাফার জোন।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত