শিরোনাম
Passenger Voice | ০২:২১ পিএম, ২০২২-০৬-০৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে এক বছরে ১৩ লাখ টাকার তেল ও ১ লাখ টাকা মেইনটেনেন্স খরচ হয়েছে। আর এই সময়ে রোগীদের দেওয়া ফি বাবদ আদায় হয়েছে মাত্র সাত লাখ টাকা। ভোক্তভোগীদের অভিযোগ সরকারি অ্যাম্বুলেন্স খোঁজেই পাওয়া যায় না। কল দিলেই চালক বলেন ঢাকা অথবা ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আছি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বাধ্য হয়ে মানুষ অধিক ভাড়ায় প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স নেন।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৯৯১ সালে একটি, ২০০৬ সালে একটি ও ২০১৬ সালে একটিসহ মোট তিনটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ১৯৯১ সালে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্সটি সম্পূর্ণ অকেজো অবস্থায় গ্যারেজে পড়ে আছে। ২০১৬ সালে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্সটির কোনো কাগজপত্র কর্তৃপক্ষ না দেওয়ায় সেটিও গ্যারেজে পড়ে আছে। শুধু ২০০৬ সালে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্সটি সচল আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ গত বছরের ৮ জুলাই পরিচালক (অর্থ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা বরাবর হিসাব বিবরণী দাখিল করে। এতে ২০২০-২১ অর্থ বছরে সচল অ্যাম্বুলেন্সটির জন্য তেল খরচ দেখিয়েছে ১৩ লাখ টাকা ও ১ লাখ টাকা মেইনটেনেন্স খরচ দেখিয়েছে। আর এক বছরে রোগীদের দেওয়া ফি আদায় হয়েছে মাত্র সাত লাখ টাকা। এ ছাড়া একই হিসাব বিবরণীতে চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরে এই অ্যাম্বুলেন্সের জন্য তেল খরচের চাহিদা দেখিয়েছে ১৪ লাখ টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, সরকারি অ্যাম্বুলেন্স কখন, কোথায় থাকে কেউ জানে না। কল দিলেই চালক বলেন ঢাকা অথবা ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আছি। মানুষ বাধ্য হয়ে অধিক ভাড়ায় প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নেন।
সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক আনোয়ার হোসেনের কাছে ১৩ লাখ টাকার তেল খরচের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স চলে পেট্রোলে। তাই খরচ বেশি হয়। ’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, ‘সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বসে থাকে না। সব সময় রোগী নিয়ে চলাচল করে। তেল খরচ বেশি তো হবেই। ’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত