শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:৩৫ পিএম, ২০২২-০৬-০২
বগুড়ায় ছয় মাস ধরে গ্যারেজে বন্দি অবস্থায় রয়েছে একটি অ্যাম্বুল্যান্স। ভারত সরকারের দেওয়া উপহারের অ্যাম্বুল্যান্সটি ফেলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। আর হাসপাতালে থাকা অন্য তিনটি অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে একটি অকেজো, অন্য দুটি শহরের বাইরে যায় না। এমন পরিস্থিতি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের।
এ কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে রোগী ও তার স্বজনরা। বাইরের অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া নিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে তাদের। এ ক্ষেত্রে অ্যাম্বুল্যান্সচালক ও মালিকরা ইচ্ছামতো ভাড়া নিচ্ছেন রোগী বা তাদের স্বজনদের থেকে। এক অর্থে বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্সচালক ও মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে রোগী ও তাদের স্বজনরা।
বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাসপাতাল চালুর পর তিনটি অ্যাম্বুল্যান্স ছিল। এগুলোর মধ্যে একটি অকেজে হয়ে পরিত্যক্ত হিসেবে গ্যারেজে পড়ে আছে। অন্য দুটি দীর্ঘদিন ব্যবহারে জীর্ণতার শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই রোগী পরিবহনের কাজে খুব একটা ব্যবহার হয় না। নড়বড়ে হওয়ার কারণে শুধু শহরের মধ্যেই এগুলো ব্যবহার করা হয়। গত এক মাসে এই দুটি অ্যাম্বুল্যান্সে রোগী পরিবহন করেছে মাত্র ১৫ জন। তিনটি অ্যাম্বুল্যান্সই যখন রোগী পরিবহনে প্রায় নিষ্ক্রিয়, তখন ভারত সরকারের উপহার দেওয়া একটি অ্যাম্বুল্যান্স সেন্ট্রাল মেডিক্যাল অ্যান্ড সার্জিক্যাল ডিপোর (সিএমএসডি) মাধ্যমে পায় শজিমেক হাসপাতাল, কিন্তু ছয় মাস অতিবাহিত হলেও সেটি গ্যারেজ থেকে রাস্তায় নামানো হয়নি।
জানতে চাইলে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্সচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নতুনটির ভাড়া নির্ধারণে সমস্যা হওয়ায় সেটি বের করা যাচ্ছে না। আর পুরনো তিনটি অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে একটি অকেজো, অন্য দুটি কিছুটা নড়বড়ে। ’
ভাড়া নির্ধারণের কী সমস্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিআরটিএ যে ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই ভাড়ায় অ্যাম্বুল্যান্স চালাতে গেলে চালককে পকেট থেকে টাকা জমা দিতে হবে হাসপাতালে। কারণ অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া লেনদেন হয় চালকের সঙ্গে। ’
বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘হাসপাতালে থাকা অ্যাম্বুল্যান্সের অবস্থা খুবই নাজুক। এ কারণে রোগীদের বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্সের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ’
সুত্র: কালের কন্ঠ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত