শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:১০ এএম, ২০২২-০৫-১১
টেকনাফে মসজিদ কমিটির পদ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে খতিবকে মারধরের ভিডিও ধারণ করছিলেন ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি সাইদুল ফরহাদ। ভিডিও ধারণ করায় তিনি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। কেড়ে নেওয়া হয় তার দুটি মোবাইল। সন্ত্রাসীরা তাকে ছুরিকাঘাতও করে।
২ মে সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আল মাদরাসাতুল মুহিউচ্ছুন্নাহ মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার আট দিনেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো হামলাকারীরা ওই সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
যত্রতত্র সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের সামনে হামলাকারীরা উসকানিমূলক কথাবার্তা বলছে। অভিযুক্ত হামলাকারী আকতার সবশেষ মঙ্গলবার (১০ মে) হোয়াইক্যং উনছিপ্রাং বাজারে ওই সাংবাদিকের বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তিনি চিৎকার দিয়ে বলতে থাকেন, তারে (সাংবাদিক) যে মার দিয়েছি, সেটা কম হয়েছে। এবার এলে আবারো মারবো। সাংবাদিক মারলে কিছু হয় না, পুলিশ আমাদের সঙ্গে আছে।
এদিকে ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি সাইদুল ফরহাদের ওপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে করেছে কক্সবাজারে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টাস ইউনিটি কক্সবাজার, সাংবাদিক সংসদ, জাতীয় খেলাঘর আসরসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন।
রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজারের সভাপতি এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি সাইদুল ফরহাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। টেকনাফ থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরও এ বিষয়ে আইনি সহায়তা না পাওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে।
মারধরের শিকার হয়ে সাংবাদিক সাইদুল ফরহাদ টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, মারধরের শিকার ওই সাংবাদিক কোন অফিসারের কাছে অভিযোগ করেছেন, সেটা আমাকে একটু জানান। আমি এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত