শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:৪৬ এএম, ২০২২-০৪-২৬
রেলপথে আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ঈদ যাত্রা। বাংলাদেশ রেলওয়ের সূচি অনুযায়ী গত শনিবার যাদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, তাদের যেতে হবে কাল। এদিকে গতকাল সোমবারও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিটপ্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। গতকাল দেওয়া হয়েছে ২৯ এপ্রিলের যাত্রার টিকিট। ঢাকা সেনানিবাস স্টেশন, তেজগাঁও স্টেশন ও ফুলবাড়িয়া স্টেশনে গিয়ে টিকিটপ্রত্যাশীদের তেমন ভিড় দেখা যায়নি।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে কথা হয় কুষ্টিয়ার পোড়াদহের যুবক জাহিদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, রাত ৩টার সময়ে এসে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের টিকিট পেতে লাইনে দাঁড়িয়ে দুপুর ১টার দিকে কাউন্টারের কাছে পৌঁছে জানতে পারেন টিকিট শেষ। তখন দ্রুত এসে খুলনাগামী স্পেশাল ট্রেনের টিকিট পেতে লাইনে দাঁড়ান। তবে তখন তাঁর সামনে অন্তত ৩০০ মানুষ। জাহিদ বলেন, ‘ট্রেনের টিকিট মনে হয় পাব না এবার। ’
২৩ এপ্রিল ঈদের ট্রেনের টিকিট দেওয়া শুরু হওয়ার দিন থেকে প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও টিকিট পায়নি, এমন অভিযোগ তোলা প্রায় ৫০ জনকে কমলাপুর স্টেশন চত্বরে পাওয়া গেল। কেউ টিকিটপ্রত্যাশীদের লাইনে দাঁড়িয়ে, কেউ বা স্টেশন চত্বরের মেঝেতে বসে টিকিটের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। দিনাজপুর শহরে যাবেন বিউটি ও রওশনারা। দুজনেই ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী। তাঁদের পরিবার থাকে দিনাজপুরে। ২৩ এপ্রিল থেকে প্রতিদিনই আসছেন তাঁরা, এখনো টিকিট পাননি। গতকাল দেখা যায়, টিকিট কাউন্টারের সামনে চাদর বিছিয়ে বসে রয়েছেন দুজন, তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন আরেক নারী টিকিটপ্রত্যাশী যাত্রী। বিউটি ও রওশনারা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাত ৩টার সময়ে এসেও টিকিট পাই না। লাইন শেষ হওয়ার আগে টিকিট দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। রবিবার বলেছে সোমবার আসতে। এসে বসে আছি। টিকিট না পেলে বাসায় ফিরব না। এখানে বসেই রাত কাটাব। ’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত