শিরোনাম
Passenger Voice | ০৩:৫৬ পিএম, ২০২২-০৪-২৪
বছর না ঘুরতে না ঘুরতেই ৩২ কোটি টাকার দশটি ইউটার্নের তিনটি এখন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের গলার কাঁটা। বাকিগুলোও যানজট কমাতে কোন ভূমিকা রাখছে না। বরং কোথাও কোথাও উল্টো যানজট বাড়াচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে এখন আরও প্রকল্প নিতে চাইছে উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন প্রকল্পই কাজে দেবে না, যদি না গণপরিবহন বাড়িয়ে কমানো হয় ব্যক্তিগত বাহন। এয়ারপোর্ট থেকে উত্তরা জসীমউদ্দিন রোডের মাঝের বিশাল রাস্তাটি যানজটে প্রায় অচল হয়ে থাকে। ২৪ ঘণ্টাই এই সামান্য পথে যানজট লেগেই থাকে।
অথচ সড়কের এই অংশটুকু ছাড়া পরের রাস্তাটুকু ফাঁকা। কিন্তু এই অংশটাতেই আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা আটকে থাকছে যাত্রীরা।
তেজগাঁও-মহাখালীতে ফুটপাত কমিয়ে রাস্তা বড় করার চেষ্টাও কাজে দেয়নি। মহাখালীতে বিশাল জায়গা জুড়ে ইউটার্ন বানানোয় বরং পাশের রাস্তাগুলো সরু হয়েছে। সেই সরু রাস্তা দিয়ে দুই দিকের গাড়ি আর বড় বড় বাস একসাথে পেরুতে গিয়ে অচল সড়কের এক পাশ। ফলে ইউটার্নের জায়গাতেই তৈরি হচ্ছে বড় জট।
বাড্ডা রামপুরার ইউলুপের উপরের খালি। কিন্তু ওঠা নামার পথে গাড়ির জট। এ রাস্তায় পথচারী পারাপার আর বাসগুলোর যাত্রী ওঠানামার যন্ত্রণায় কমে যায় গতি। ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ইউলুপে সমাধান আসেনি সেখানেও। একই অবস্থা বনানী ইউলুপেও। উল্টো ইউলুপ পার হতেই যানবাহনের ত্রাহি অবস্থা।
প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে গত বছর চালু হয় ১০টি ইউটার্ন। আর বাড্ডা-রামপুরায় তৈরি হয় ইউলুপ। যা কার্যত যানজট কমাতে ব্যর্থ।
তবে বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হক বলছেন, একের পর এক প্রকল্প বা এমন ইউটার্ন আর ইউলুপ বানিয়ে কোন লাভ নেই। নজর দিতে হবে গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনায়। সেই সঙ্গে যানজট কমাতে গণপরিবহন বাড়িয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি নিরুৎসাহিত করার কোন বিকল্প নেই বলেও জানিয়েছেন এই বিশেষজ্ঞ।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত