শিরোনাম
Passenger Voice | ০৩:৪৮ পিএম, ২০২২-০৪-১২
শরীয়তপুরের জাজিরার টিঅ্যান্ডটি মোড়ের প্রধান সড়ক দখল করে বসানো হয়েছে অটোরিকশা স্ট্যান্ড। নেই কোনো পার্কিং এলাকা। ফলে সড়কে সবসময় দাঁড়িয়ে থাকে অটোরিকশা। এতে যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হয় প্রতিবন্ধকতা। শুধু তা-ই নয়, সড়কের অন্যপাশেও রয়েছে ইজিবাইক, সিএনজি স্ট্যান্ড। এতে যানজট এখন এই সড়কের নিত্যসঙ্গী।
যত্রতত্র অটোরিকশা, ইজিবাইক ও সিএনজি করায় চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও নেওয়া হচ্ছে না কার্যকর কোনো পদক্ষেপ।
সরেজমিনে দেখা যায়, জাজিরার পশু হাসপাতাল থেকে ব্রাইড স্টার স্কুল পর্যন্ত এবং ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের টি অ্যান্ডটি মোড় এলাকায় অবৈধভাবে সড়কের ওপর পার্কিং করা হয়েছে অসংখ্য অটোরিকশা ও সিএনজি। প্রধান সড়কে সঙ্গেই রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সব মিলিয়ে এলাকাটি ব্যস্ততম। কিন্তু সড়কের একপাশে দাঁড়িয়ে আছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, অন্যপাশে রয়েছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের সারি।
প্রধান সড়কের দুপাশে সারিবদ্ধ যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা থাকছে খুবই কম। যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিদিনই যাত্রী ও চালকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা লেগেই থাকে। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এই সড়কে রীতিমতো গাড়ির জট লেগে থাকছে। ফলে অফিস ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগামীদের পড়তে হয় বাড়তি বিড়ম্বনায়। এ ছাড়া এ সড়ক দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াত করতে হয় রোগীদের। অনেক সময় মুমূর্ষু রোগী নিয়ে আটকে থাকতে হয়। এ ছাড়া ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের যানবাহনের চাপ তো রয়েছেই। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই সড়ক ব্যবহারকারীদের।
এই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী আবুল কাশেম বলেন, ‘প্রধান সড়ক দখল করে অটোরিকশা স্ট্যান্ড বানানো হয়েছে। গাড়ি ঠিকমতো আসা-যাওয়া করতে পারে না। অটোরিকশা স্ট্যান্ড এখান থেকে সরিয়ে অন্য কোনো ফাঁকা জায়গায় নেওয়া হলে সবার জন্য ভালো হয়।’
জাজিরার দক্ষিণ বাইকসা গ্ৰামের হানিফ জানান, টিঅ্যান্ডটি বাজারে আসলে দেখা যায় চরম যানজট। চোখের সামনে সড়ক দখল করে কীভাবে অটোরিকশা স্ট্যান্ড বানিয়েছে সেটি দেখার যেন কেউ নেই।
বাসচালক নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘টিঅ্যান্ডটি মোড়ে এলেই দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়। সড়ক দখল করে অটোস্ট্যান্ড বানানোর কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা হয়। দুটি বাস ক্রসিং করার মতো জায়গা থাকে না।’
অটোরিকশাচালক আবদুল আজিজ বলেন, ‘আমরা কোথায় যাব? দাঁড়ানোর মতো কোনো জায়গা নেই এখানে। বাধ্য হয়ে কখনো সড়কের পাশে, কখনো সড়কের ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। তা না হলে যাত্রী পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে প্রশাসন আমাদের কোনো ধরনের বাধা দেয়নি। প্রশাসন যদি অন্য কোনো জায়গা দেয়, আমরা সেখানে চলে যাব।’
জাজিরার পৌর মেয়র ইদ্রিস মাদবর বলেন, ‘নির্ধারিত জমি না থাকায় আপাতত এই বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারিনি। সমস্যা সমাধানে শিগগিরই একটি পৌর টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।’
জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান সোহেল বলেন, ‘এখানে কোনো নির্ধারিত স্ট্যান্ড না থাকায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত