শিরোনাম
Passenger Voice | ০৩:০৭ পিএম, ২০২২-০৪-০৬
দুই বছর বন্ধের পর অবশেষে গতকাল থেকে স্থলপথে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আবারো ট্যুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত শুরু হয়েছে। গতকাল বেনাপোল দিয়ে ট্যুরিস্ট ভিসায় ভারতে গেছেন ২০ যাত্রী। দুই বছর পর যাতায়াত স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে যাত্রীদের মধ্যে। করোনা সংক্রমণ রোধে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত। সংক্রমণ কমে এলে মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা চালু হলেও এত দিন বন্ধ ছিল ট্যুরিস্ট ভিসায় যাতায়াত।
জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণে সবচেয়ে বেশি মানুষ ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে। প্রতি বছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ট্যুরিস্ট ভিসায় প্রায় ১০ লাখ পাসপোর্টধারী যাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে। যাত্রীদের কাছ থেকে ভিসা ফি বাবদ ভারতীয় দূতাবাসের আয় ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। আর ভ্রমণ কর বাবদ বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আসে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।
২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ দেখা দিলে ১৩ মার্চ সীমান্ত বন্ধ করে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। এতে বন্ধ হয়ে যায় যাত্রী যাতায়াত। পরে করোনা সংক্রমণ কমে এলে ছয় মাস পর মেডিকেল ও পরে বিজনেস ভিসা চালু হয়। এসব ভিসায় জটিলতা বেশি থাকায় ভ্রমণে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ফলে দুই দেশের মানুষের দাবি ছিল, ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর মাধ্যমে যাতায়াত সহজ করার। অবশেষে গত ২৫ মার্চ থেকে ভারতীয়দের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন গ্রহণ করে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। পরে ৩০ মার্চ থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস বাংলাদেশীদের ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদান করে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি মো. রাজু জানান, ট্যুরিস্ট ভিসায় চালু হওয়ায় যাত্রী যাতায়াত বেড়েছে। বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, দুই বছর পর সোমবার থেকে ট্যুরিস্ট ভিসায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে সড়কপথে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত শুরু হয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত