শিরোনাম
Entertainment desk | ১০:৩৩ এএম, ২০২০-০২-২৮
সালমান শাহর অকালমৃত্যুর দায় নিতে মোটেই রাজি নন তার ডজনখানেক ছবির নায়িকা শাবনূর। তিনি মনে করেন, 'মিডিয়ায় কাজ করলে গুজব হয়। সেটি এখনকার তারকাদের মধ্যেও হয়। পত্রপত্রিকায় তারকাদের মধ্যকার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে গুজব তো এখনও ছাপা হচ্ছে। সে সময়ও এমন ছাপা হতো। সেই গুজবের বিষয় টেনে এনে সামিরা এতদিন পর এভাবে কথা বলবে সেটি বিশ্বাস হচ্ছে না।'
অস্ট্রেলিয়া থেকে ফোনে সমকালকে এভাবেই বললেন এক সময়ের জনপ্রিয় এই নায়িকা।
শাবনূর মনে করেন, 'সামিরা (সালমান শাহর স্ত্রী) মানুষের কাছ থেকে নানান কথা শুনে হয়তো এসব বলছেন। কানকথা শুনে কারও ওপর দায় চাপানো ঠিক নয়। সামিরার উচিত মানুষের কথা না শুনে নিজের কথা শোনা।'
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে কিছুই জানতেন না বলে জানান এক সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় এই নায়িকা। তিনি বলেন, 'এই প্রতিবেদন নিয়ে আমি কিছুই জানতাম না। মিডিয়ার বরাতেই এটি জেনেছি। আমি জেনেই বা কী করব। এই ইস্যুতে তো আমি তেমন কেউ না। লড়াই চলছিল সালমান শাহর মা আর সামিরার মধ্যে। এখানে আমাকে টানার তো কথা নয়।'
তবে তিনি বলেন, 'টানার কথা না থাকলেও টানা হচ্ছে। শুধু টানাই নয়, পিবিআইর প্রতিবেদনে সালমান শাহ শাবনূরের সম্পর্কের কথাও বলা হয়েছে।'
গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুরহস্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে পিবিআই। সেখানে বলা হয়- খুন নয়, আত্মহত্যা করেছেন সালমান। পিবিআইর প্রতিবেদনে সালমান শাহর সঙ্গে শাবনূরের 'অতি অন্তরঙ্গ' সম্পর্ককেও আত্মহত্যার জন্য দায়ী করা হয়েছে।
সালমান শাহর স্ত্রী সামিরাও একই রকম দাবি করেছেন। তবে শাবনূর বলেন, 'সামিরা একবার বলেছে, আমার ভুলের জন্য আমাকে সরি বলতে। আবার এক গণমাধ্যমে পড়লাম- সে বলেছে, আমাকে সালমানের কানের কাছে মুখ নিয়ে কথা বলতে দেখে তার খারাপ লাগত। তার বাসায় গিয়ে সালমানকে ভাইয়া ভাইয়া বলে ডাকতাম, বেশি মিশতাম সেটি তার ভালো লাগত না।। এসব কথার মাধ্যমে সে কী বোঝাতে চাচ্ছে তা স্পষ্ট নয়। তবে আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, সালমান আমার কো-আর্টিস্ট ছিল, ভাইবোনের মতো সম্পর্ক ছিল। সামিরাও সেটি জানত। শুধু সামিরা নয়, সালমানের মাও তো সেটি জানতেন।'
সামিরার এখনকার বক্তব্যগুলো শাবনূর ভিন্নভাবে দেখতে চান। তিনি বলেন, 'সামিরা যদি কোনো কারণ ছাড়া দায় আমার ওপর চাপাতে চায়, আমি ভাবব সেটি সে নিজের গা বাঁচানোর জন্য করছে। নিজের ভালোর জন্য আরেকজন নিরীহ মানুষকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করছে।'
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত