শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:২৯ এএম, ২০২১-১১-১৬
কোটি টাকার বাস মেরামতে আগ্রহ নেই, বিআরটিসি ব্যস্ত নতুন যানবাহন কিনতে। সম্প্রতি ভলভো কোম্পানির ৪৯টি বাস পানির দরে বিক্রি হয়। নামিদামি কোম্পানির আরও পাঁচ শতাধিক বাস অকেজো পড়ে আছে; যা সংস্কারের উদ্যোগ না নিয়ে নতুন ৩০০ নতুন বাস কেনার পরিকল্পনা চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা আর সদিচ্ছার অভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।
প্রায় ২০ বছর আগে ৭০ কোটি টাকায় সুইডেনের বিখ্যাত ভলভো কোম্পানির ৫০টি দ্বিতল বাস কিনে বিআরটিসি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পাঁচ-ছয় বছর না যেতেই দামি বাসগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। কোটি টাকার এসব বাস সম্প্রতি নামমাত্র দামে বিক্রি হয়।
মিরপুর ডিপোতে অবশিষ্ট একটি ভলভো বাস কোনমতে টিকে আছে।
বিআরটিসি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, দেরিতে হলেও সব গাড়িই নতুন করে সার্ভে করা হয়েছে।
অথচ, ভলভোর মতো দামি বাস অন্তত ২০ বছর চলতে সক্ষম বলছেন বিশেষজ্ঞ।
শুধু ভলভো নয়, বিআরটিসির ডিপোতে দাইয়ু, টাটা, ফাও, অশোক লেল্যান্ড-এর মতো নামিদামি কোম্পানির আরও পাঁচ শতাধিক বাস বিকল পড়ে আছে। মেরামতের উদ্যোগ না নিয়ে নতুন বাস কেনার পরিকল্পনা চলছে।
বিআরটিসি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, গাড়ির সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বুয়েটের এআরআইয়ের পরিচালক হাদিউজ্জামান জানান, ইমেজ সংকটে আছে বিএরটিসি, তাদের উচিত পুরাতন গাড়িগুলো ঠিক করে গাড়ির চাহিদা মেটানো।
বিআরটিসির লক্ষ্য নিরাপদ ও আধুনিক রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। অথচ, জনগণের করের টাকায় কেনা বাসের একটি বড় অংশ, গণপরিবহনে ব্যবহার না করে লিজ দেওয়া হয়েছে। আর পরিবহনে সংকটে ভুগছে সাধারণ মানুষ।
যাত্রীরা বলেন, স্কুলে যাওয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কাজে যাওয়া মানুষগুলোও বিআরটিসি ব্যবহার করে, তাই তাদের উচিত যাত্রীদের কথা মাথায় রাখা।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত