যাত্রী নেই, ফাঁকা সিটে গন্তব্যে ছুটছে ট্রেন

Passenger Voice    |    ০১:৩১ পিএম, ২০২১-০৮-২০


যাত্রী নেই, ফাঁকা সিটে গন্তব্যে ছুটছে ট্রেন

চট্টগ্রাম: করোনা সংক্রমণ রোধে প্রায় দেড় বছর পর পূর্ণমাত্রায় ট্রেন চলাচল শুরু হলেও কাঙ্ক্ষিত যাত্রী নেই প্রায় ট্রেনে। অনেক ট্রেন অর্ধেক যাত্রী নিয়ে, আবার অনেক ট্রেন অর্ধেকেরও কম যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে করছে। পুরোদমে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার গত দুইদিনে চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোতে এমন চিত্র দেখা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে চট্টগ্রাম রেল স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্বাভাবিক সময়ে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ট্রেনে যাত্রীতে ভরপুর থাকে। কিন্তু গতকালের চিত্র ছিল একেবারে ভিন্ন। স্টেশনে অন্যান্য দিনের মতো যাত্রীদের কোনো চাপ ছিল না। প্রায় ট্রেনের প্রায় সিট ছিল ফাঁকা।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে গত বছরের মার্চে বন্ধ হয়ে যায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। এরপর নানা প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে-ট্রেনের চাকা ঘুরেছে থেমে থেমে। কঠোর লকডাউনে ট্রেনসহ গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ছিল। গত ১১ আগস্ট লকডাউন প্রত্যাহার করা হলে শুরু হয় ট্রেনসহ গণপরিবহন। ওইদিন প্রথম ধাপে বেশ কিছু আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার এবং ডেমু চলাচল শুরু হয়।

এরপর সর্বশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার আরও কিছু ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এতে প্রায় দেড় বছর পর পুরোদমে সচল হয় যাত্রীবাহী ট্রেনের চাকা। গতকাল শুরু হওয়া চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ব্যস্ততম ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস ও চট্টলা এক্সপ্রেসে কাঙ্ক্ষিত যাত্রী ছিল না।

এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ম্যানেজার রতন কুমার চৌধুরী জানান, সবগুলো ট্রেন চলাচল শুরু হলেও এখন প্রতিটি ট্রেনে যাত্রী কম। কারণ কি বুঝতে পারছি না। স্বাভাবিক দিনগুলোতে বৃহস্পতিবার যাত্রীর চাপ বেশি থাকে। কিন্তু আজকে বৃহস্পতিবার (গতকাল) প্রতিটি ট্রেনে যাত্রী কম। বৃহস্পতিবার চালু হওয়া চট্টলা এঙপ্রেসে ৫৭৭ সিটের বিপরীতে যাত্রী গেছেন মাত্র ২৪৬জন। অপরদিকে মহানগর এঙপ্রেসে ৭০০ সিটের বিপরীতে যাত্রী গেছেন ৪০৭জন। এদিকে খবর নিয়ে জানা গেছে, সুবর্ণ এঙপ্রেসে ৮৯০ সিটের বিপরীতে যাত্রী গেছেন মাত্র ৫০৭জন।