শিরোনাম
Passenger Voice | ০২:১৫ পিএম, ২০২১-০৮-১১
দীর্ঘদিনের বিধিনিষেধ শেষে সারা দেশে ফের ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল থেকে শতভাগ যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে এসব ট্রেন। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট সময় পর পর পৌনে ৮টা পর্যন্ত মোট সাতটি ট্রেন ছেড়েছে। এসব ট্রেনের মধ্যে রয়েছে- বলাকা এক্সপ্রেস, তুরাগ এক্সপ্রেস, দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার, পারাবাত এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, তিস্তা এক্সপ্রেস ও মহানগর প্রভাতি।
বিধিনিষেধ শেষে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট কাউন্টারগুলোতে তেমন ভিড় দেখা যায়নি। তবে কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে ছিল যাত্রীদের দীর্ঘ সারি। এ ছাড়া স্টেশনে শারীরিক দূরত্ব মানার চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে হ্যান্ড স্যানটাইজার। ট্রেন ছাড়ার আগে প্রতিটি যাত্রীর হাত স্যানটাইজ করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, কমিউটার ট্রেনের টিকিট প্রতিদিন দেওয়া হয় বলে কাউন্টারে ভিড় থাকে বেশি। আর আসন খালি থাকা সাপেক্ষ ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকে ৩৮ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন এবং ২০ জোড়া কমিউটার ট্রেন চলাচল করবে। আগের ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে ট্রেনগুলোতে। তবে বিধিনিষেধ শিথিলের প্রথম দিনে এসব ট্রেনের আসন অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসন খালি থাকা সাপেক্ষে আমরা ১৫ আগস্ট পর্যন্ত টিকিট দিচ্ছি। ট্রেন চলাচল শুরু থেকে আমরা অন্য সময়ের মতো এবারও স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী আনা-নেওয়া করছি। প্রতিটি যাত্রীকে হেক্সিসল দেওয়া হচ্ছে। আমাদের এখানে কোন স্ট্যান্ড টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। আসন যতোগুলো সে সমপরিমাণ টিকিটই কেবল দেওয়া হচ্ছে।’
এর আগে ভাড়ার বিষয়ে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘আমরা কখনোই রেলের ভাড়া বাড়াইনি। অর্ধেক যাত্রী যখন পরিবহন করেছি তখনো আগের ভাড়ায় যাত্রীরা চলাচল করেছেন। এখনো আগের ভাড়ায় রেল চলবে।’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত