|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ

  |   মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ এবং মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে দেশব্যাপী ইলিশ পরিবহন ও মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। নিষিদ্ধকালে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হবে। এ সময় ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে।

সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজন হলে হটস্পটগুলোতে অতিরিক্ত নৌযান ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ধরা মাছ বাজারজাত বন্ধে বরফকল, আড়ৎ ও বাজারেও নজরদারি বাড়াতে হবে। চাঁদপুর মোহনাসহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর অভিযান চালাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা বা বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। কোথায় দুর্বলতা বা কার্যক্রমে ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবৈধ জাল বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারের পাশাপাশি জেলে প্রতিনিধিদেরও এসব জাল না কেনার বিষয়ে জেলেদের সচেতন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে সরকার জেলেদের প্রণোদনা দিচ্ছে। এই সহায়তা যেন প্রকৃত জেলেদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে, তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন কমে গিয়ে বিদেশ থেকে মাছ আমদানি করতে হচ্ছে- এটি উদ্বেগের বিষয়। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা চিহ্নিত করে সবাইকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ইলিশকে জাতীয় সম্পদ ও জিআই পণ্য হিসেবে রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়াতে আগামী দিনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

Advertise with us
Advertise with us
হালাল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে হালাল...
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করেই...
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোববারের মধ্যে সাগরে হতে পারে...
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সক্ষমতার ৯০% এলএনজি দিচ্ছে দুই...
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন...
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে বাইকের সংখ্যার সাথে বেড়েছে...
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact