| বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। এ সময় তারা বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহের কথা জানায়।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ দুটি খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে শিল্প সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনবল তৈরি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকারী দেশ। এ খাতে দেশের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দক্ষ শ্রমশক্তি ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৩১টি পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনা চালু রয়েছে। আগামী কয়েক বছরে এ সংখ্যা শতাধিক করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য শুধু পুরোনো জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা নয়। বিদ্যমান সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ ক্ষেত্রে জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উন্নত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং দীর্ঘদিনের জাহাজ নির্মাণের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জাহাজ নির্মাণ খাতকে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী শিল্পভিত্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।