শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:৫১ পিএম, ২০২৬-০৪-০৮
আওয়ামী লীগের মিছিল, মিটিং, সমাবেশ ও প্রচারণাসহ যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা স্থায়ী রূপ নিলো। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাসের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা আগের অধ্যাদেশটি এখন শক্তিশালী আইনি ভিত্তি পেল।
নতুন পাস হওয়া আইনের ৩ ধারায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সত্তা বা সংগঠনের পক্ষে কোনো ধরনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, মুদ্রণ, অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানো যাবে না। এছাড়া মিছিল, সভা-সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন কিংবা জনসম্মুখে বক্তৃতা প্রদানের ওপরও পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
বিলটি পাসের আগে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এটি পর্যালোচনার জন্য সময় প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, বিলটির কপি হাতে পাওয়ার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এটি পাস করা ঠিক হবে না। তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ কার্যপ্রণালী বিধির দোহাই দিয়ে তার আবেদন নাকচ করে দেন। স্পিকার জানান, নির্ধারিত সময়ে কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না আসায় এখন আর আলোচনার সুযোগ নেই।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, এই সংশোধনীটি মূলত একটি গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য আনা হয়েছে। আপনারা (বিরোধী দল) এবং এনসিপির আন্দোলনের ফলেই যে জনমত তৈরি হয়েছে, তারই প্রতিফলন এই আইন। এই আইনের সাহায্যেই আওয়ামী লীগের রেজিস্ট্রেশন বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ১১ মে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত করে অন্তর্বর্তী সরকার। আজকের এই সংসদীয় অনুমোদনের ফলে সেই স্থগিতাদেশ এখন স্থায়ী আইনি কাঠামোতে রূপান্তর হলো। মন্ত্রীর বক্তব্যের পর কণ্ঠভোটে বিলটি সংসদে পাস হয়।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত