|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ডুবন্ত কৃষি ব্যাংকে ৪ হাজারের বেশি কর্মচারী নিয়োগের প্রস্তাব

ডেস্ক রিপোর্ট   |   শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ডুবন্ত কৃষি ব্যাংকে ৪ হাজারের বেশি কর্মচারী নিয়োগের প্রস্তাব

আর্থিকভাবে চরম নাজুক ও বিপর্যয়কর পরিস্থিতি পার করছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংকটি কেবল গত পাঁচ বছরেই নিট লোকসান দিয়েছে সাড়ে ১৯ হাজার কোটি টাকার বেশি। বিতরণকৃত ঋণের প্রায় অর্ধেক খেলাপির খাতায় চলে যাওয়া ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতির পরিমাণও ৩০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অথচ ডুবন্ত ব্যাংকটিতে নতুন করে চার হাজারের বেশি কর্মচারী নিয়োগের আয়োজন চলছে। এজন্য জনবল কাঠামো বা অর্গানোগ্রাম সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে ব্যাংকটি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো নতুন এ অর্গানোগ্রাম অনুমোদন প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নতুন এ অর্গানোগ্রামে কেবল তৃতীয় শ্রেণী বা ১৩তম গ্রেডে ২ হাজার ৭৮৩টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে জুনিয়র অফিসার (ফিল্ড) পদে ২ হাজার ২১৯ জন, জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) পদে ৫০১, ডেটা এন্ট্রি সুপারভাইজার পদে ৬১ ও টেলিফোন টেকনিশিয়ান পদে দুজনকে নিয়োগের কথা রয়েছে। অথচ বর্তমানে এ পদগুলোতে কৃষি ব্যাংকে একজনও কর্মরত নেই। পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণীর (১৮-২০তম গ্রেড) বিভিন্ন ক্যাটাগরিতেও ১ হাজার ৩৬৩টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। এ পদগুলোতে বর্তমানে কর্মরত মাত্র ৯০ জন।

সব মিলিয়ে কৃষি ব্যাংক থেকে প্রস্তাব দেয়া অর্গানোগ্রামে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট পদ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়েছে ৪ হাজার ৫৯৮টি। যেখানে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এ পদগুলোতে মাত্র ২৬৯ জন নিযুক্ত রয়েছেন বলে কৃষি ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এ পদে আউটসোর্সিং (সম্পূর্ণ অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক) হিসেবে কর্মচারী নিযুক্ত করা হয়।

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর (নবম ও দশম গ্রেড) পদগুলোতে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির (বিএসসি) অধীনে নিয়োগ দেয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বাধীন এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ কম। বিপরীতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারী নিয়োগ দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। এসব নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি ও বাণিজ্যের অভিযোগ অনেক বেশি। আবার নিয়োগপ্রাপ্তরা কর্মচারী ইউনিয়নে (সিবিএ) সক্রিয় থাকায় ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলাও বিনষ্ট হয়। এ কারণে গত এক দশকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর নিয়োগ অনেকটাই বন্ধ।

কৃষি ব্যাংকের দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ‘কৃষি ব্যাংকে ড্রাইভার-পিয়নের মতো কর্মচারীর সংখ্যা এখন দুইশও নয়। তার পরও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাদের দাপটে পুরো ব্যাংকের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। সিবিএ নেতাদের চাপ ও বাণিজ্যের কারণে গত দুই বছরে প্রায় সাত হাজার কর্মকর্তা বদলি হয়েছেন। সম্প্রতি ব্যাংকে ২২ জন ড্রাইভার নিয়োগ দেয়া হয়। এ নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১০-১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুস লেনদেন হয়েছে। ঠিকমতো গাড়ি চালাতে জানেন না, এমন লোকও ড্রাইভার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে কেবল নিয়োগ বাণিজ্য ও সিবিএকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই চার হাজারের বেশি কর্মচারী নিয়োগের পাঁয়তারা চলছে।’

এ বিষয়ে চেষ্টা করেও কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তার মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। আর ব্যাংকে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেছেন, ‘ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরে জনবলের ঘাটতি আছে। আমি মাঠ পর্যায়ে গিয়েও জনবল সংকটের বাস্তবতা উপলব্ধি করেছি। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে আমরা নবম ও দশম গ্রেডের (সিনিয়র অফিসার ও অফিসার) লোক পাচ্ছি। কর্মচারী নিয়োগের জন্য অর্গানোগ্রাম পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত প্রস্তাব আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদন দেয়া না দেয়া সরকারের বিষয়।’

দ্বিতীয় শ্রেণী বা অফিসার ও ক্যাশ অফিসার হিসাবে চার হাজারের বেশি কর্মকর্তা থাকার পরও তৃতীয় শ্রেণীতে জুনিয়র অফিসারের পদ কেন সৃষ্টি করতে হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে নুরুল আমিন বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতির আলোকেই এ প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার চাইলে এসব পদের অনুমোদন নাও দিতে পারে।’

গত ২২ জুলাই কৃষি ব্যাংকের পক্ষ থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে জনবল কাঠামোর পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি পাঠানো হয়। ওই প্রস্তাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিদ্যমান অর্গানোগ্রামে প্রথম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্ত বিভিন্ন পদে ব্যাংকটিতে পদ রয়েছে ৫ হাজার ৬২৩টি। নতুন অর্গানোগ্রামে এ পদগুলোর সংখ্যা বাড়িয়ে ৭ হাজার ৬৯০-এ উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়। সে হিসাবে প্রথম শ্রেণীর নতুন পদ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়েছে ২ হাজার ৬৭টি। গত ৩০ জুন পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্ত বিভিন্ন পদে ব্যাংকটিতে ৪ হাজার ৫৩৫ জন কর্মরত ছিলেন। আর কৃষি ব্যাংকের বিদ্যমান অর্গানোগ্রামে দশম গ্রেড বা দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ রয়েছে ৬ হাজার ৭০২টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৬৩৩টি পদ শূন্য রয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেণীর এ পদগুলোতে অফিসার, অফিসার (ক্যাশ) ও অ্যাসিস্ট্যান্ট লাইব্রেরিয়ান রয়েছেন। বর্তমানে এসব পদে ব্যাংকটিতে কর্মরত রয়েছেন ৪ হাজার ৬৯ জন।

কৃষি ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর বিভিন্ন পদে মাত্র ২৬৯ জন কর্মরত ছিলেন। যদিও বিদ্যমান অর্গানোগ্রামে ১১ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৩ হাজার ১০৯টি পদ রয়েছে। সে হিসাবে কর্মচারীদের ২ হাজার ৮৪০টি পদই এখন শূন্য। এজন্য নতুন সৃষ্ট জুনিয়র অফিসার (ফিল্ড) ও জুনিয়র অফিসারসহ (ক্যাশ) ৪ হাজার ৫৯৮টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে।

যদিও ব্যাংকটির কর্মকর্তারা জানান, পুরনো ব্যাংক হওয়ায় কৃষি ব্যাংকে এমন অনেক পদ রয়েছে, যেগুলোর এখন কোনো প্রয়োজন বা উপযোগিতা নেই। রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য ব্যাংকগুলোতে এসব পদ অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ২০১৮-১৯ সালের দিকে ব্যাংকের সুপারভাইজার পদ বিলুপ্ত করে ওই পদে থাকা সবাইকে অফিসার পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল। কারণ সুপারভাইজার বা ফিল্ড অফিসার পদে থাকা কর্মচারীরা সিবিএতে সক্রিয় ছিলেন। তাদের দাপটে ব্যাংকের শাখা ও প্রধান অফিসের কর্মকর্তারা ভয়ে থাকতেন। এসব পদে চাকরি করা ৮০-৯০ শতাংশের বিরুদ্ধেই ঋণ বিতরণে ঘুস গ্রহণসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিভাগীয় মামলা ছিল।

ওই সময় কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া। জানতে চাইলে বর্তমানে এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে থাকা এ ব্যাংকার বলেন, ‘সুপারভাইজার পদের বিলুপ্তি সাপেক্ষে ওই সময় কিছু কর্মচারীকে অফিসার পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল। আমি চেয়েছিলাম, ব্যাংকটির নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব অফিসারদের হাতে থাকুক। এখন নতুন করে কেন জুনিয়র অফিসার ও ডেটা এন্ট্রি সুপারভাইজারের পদ সৃষ্টির প্রয়োজন হলো সেটি আমার বোধগম্য নয়।’

কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকেই সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকটিতে কর্মচারী ইউনিয়ন বা সিবিএ নেতাদের দাপট ছিল। ব্যাংকের ঋণ বিতরণ থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি, বদলি ও নিয়োগে সিবিএ নেতারা প্রভাব খাটাতেন। কর্মচারী নিয়োগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধীরে ধীরে ব্যাংকের ওপর সিবিএ নেতাদের প্রভাব কমে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি সিবিএ নেতারা আবারো ব্যাংকের সব কাজে প্রভাব বিস্তার শুরু করেছেন। এমনকি ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর তৎকালীন সিবিএ সভাপতি মো. আবদুল হালিম প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের কিল-ঘুসির আঘাতে নিহত হন। ওই হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন বর্তমান সিবিএ সভাপতি ফয়েজ আহমেদ। এ দুই সিবিএ সভাপতিই ব্যাংকটির অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন।

প্রায় ছয় বছর আগে অবসরে গেলেও ফয়েজ আহমেদ এখন সিবিএ পদ ধরে রেখেছেন। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন মিরাজ হোসেন। সিবিএর শীর্ষ এ দুই নেতার পাশাপাশি আরো কয়েকজন কর্মচারী ব্যাংকটির যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছেন। এক্ষেত্রে কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপক পদে দায়িত্ব পালনকারী কয়েকজন কর্মকর্তাও সিবিএকে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার কারণেই এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিবিএ সভাপতি ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘আগে ব্যাংকের কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোপুরি অভ্যন্তরীণভাবে সম্পন্ন হতো। এক্ষেত্রে ব্যাংকের কর্মকর্তারাই সব দায়িত্ব পালন করতেন। তখন হয়তো সুপারিশের সুযোগ ছিল। কিন্তু এখন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের পরীক্ষাও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নেয়া হয়। এ কারণে চাইলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমাদের পক্ষে ভূমিকা রাখা সম্ভব নয়। ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা সিবিএ নেতাদের ভালো চান না। রাজনীতি করায় তারা সবকিছুতেই আমাদের বাঁকা চোখে দেখেন। কোনো অনিয়মের সঙ্গে সিবিএ নেতারা সম্পৃক্ত নন।’

দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাবায়ন হয় ডিসেম্বরভিত্তিক। তবে কৃষি ব্যাংক অর্থবছরের ভিত্তিতে তথা জুলাই-জুনের হিসাবে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করে। যদিও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন এখনো তৈরি করতে পারেনি ব্যাংকটি। কৃষি ব্যাংকের সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে কৃষি ব্যাংকের ঋণ স্থিতি ছিল ৩৮ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক ঋণই ছিল খেলাপির খাতায়। ২০২৫ সালের জুন শেষে ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতির পরিমাণও ২৯ হাজার ৮৬০ কোটি টাকায় ঠেকে। বছরের পর বছর ধরে লোকসান গুনতে গুনতে কৃষি ব্যাংক এ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। কেবল ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি ব্যাংকের নিট লোকসান ছিল ৮ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬ হাজার ৫১৩ কোটি, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২ হাজার ৩৮৫ কোটি, ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ হাজার ২৮২ কোটি এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ হাজার ২৪১ কোটি টাকা নিট লোকসান দিয়েছিল কৃষি ব্যাংক। সব মিলিয়ে কেবল গত পাঁচ অর্থবছরেই ব্যাংকটির নিট লোকসানের পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে ১৯ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকায়।

ধারাবাহিক লোকসান ও বিপুল মূলধন ঘাটতি সত্ত্বেও কৃষি ব্যাংকের পক্ষ থেকে জনবল বাড়ানোর প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘কৃষি ব্যাংকের মালিক সরকার। ব্যাংকটির জনবল কাঠামোও সরকারের পক্ষ থেকেই অনুমোদন হয়। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তেমন কোনো ভূমিকা নেই। ব্যাংকটি যাতে সুশাসনের রীতিনীতি মেনে চলে, আমরা সে চেষ্টাই করি।’ সূত্র বণিক বার্তা

Advertise with us
Advertise with us
দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফের ধরে...
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ডুবন্ত কৃষি ব্যাংকে ৪ হাজারের...
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সৌদির চার গন্তব্যে ২৪ অক্টোবর...
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact