| শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ঢাকার সাতটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ১৪টি ককটেল বিস্ফোরণসহ কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর থেকে সারা ঢাকাজুড়ে নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিশেষ নজরদারির আওতায় মোটরসাইকেলগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
এ ছাড়াও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান ও ঢাকার প্রবেশ ও বহির্গমন পথে স্থাপন করা হয়েছে অতিরিক্ত ২০০’র বেশি চেকপোস্ট।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েছি। শুক্রবার রাত থেকে যেসব ঘটনা ঘটেছে, ককটেল বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অনেক জায়গায় মামলা হয়েছে এবং কিছু মামলা প্রক্রিয়াধীন। কাফরুল থানায় একটা মামলা হয়েছে।
নিয়াজ মেহেদী বলেন, এর বাইরে আমরা ঢাকায় ২০০ এরও বেশি জায়গায় চেকপোস্টগুলো বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছি এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করছি। ঢাকার অভ্যন্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, ফ্লাইওভার, প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট কার্জক্রম চলছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের প্রতি আমাদের বিশেষ নজরদারি থাকবে। অবৈধ মোটরসাইকেল যেন না চালিত হয় এবং এই নিয়ে কোনো নাশকতা বা এই ধরণের কর্মকাণ্ড যেন না করতে পারে সেক্ষেত্রে আমরা বিশেষ চেষ্টা করছি এবং লক্ষ্য রাখছি।
তিনি আরও বলেন, এর বাইরেও আমাদের নিয়মিত চেকপোস্ট ও টহল কার্জক্রম চলমান। অপরাধীদের অপতৎপরতা রুখতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাজধানীর মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার, বিটিভি ভবনের সামনে ও মগবাজার মোড়ে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এছাড়াও, কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
একই দিন রাজধানীর ফার্মগেটে তেজগাঁও মসজিদ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করে পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তারা নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠন জেএমবির সদস্য।