| বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে এলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভিয়েতনামের পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশের এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অংশীদারত্বের ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণ করার জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন এবং ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তাকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণ জানান ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মাঝে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তার ভিয়েতনাম সফরের কথা স্মরণ করেন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
এ সময় তিনি বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে তার সফল কর্মকাল এবং বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরেও তিনি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবেন বলে রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন এবং ভিয়েতনামের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।