|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ওভারফ্লাই ফি থেকে শাহজালালের আয়ে রেকর্ড: এক বছরে ৮০৫ কোটি

  |   শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ওভারফ্লাই ফি থেকে শাহজালালের আয়ে রেকর্ড: এক বছরে ৮০৫ কোটি

বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর যাতায়াত (ওভারফ্লাই) থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিগত অর্থবছরে (জুলাই থেকে জুন) কেবল ওভারফ্লাই ফি বাবদ বিমানবন্দরে মোট আয় হয়েছে ৮০৫ কোটি ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৫ টাকা ২০ পয়সা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘রেভিনিউ আর্নড ওভারফ্লাই রিপোর্ট’ থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আলো ছড়াচ্ছে শাহজালালে স্থাপিত নতুন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার (এটিসি)। নতুন এটিসি টাওয়ারের ফলে একদিকে যেমন আকাশ সুরক্ষিত হয়েছে তেমনি ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায়ের গতিও বেড়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অত্যাধুনিক এই রাডার সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ হয়। তারপর থেকেই মূলত অপারেশনে যায় এটিসি টাওয়ার। তবে গত ২০ এপ্রিল এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাবেক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

অর্থবছর অনুযায়ী আয়ের বিশ্লেষণ: প্রতিবেদনে বিগত এক বছরের রাজস্ব আয়কে দুই ভাগে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

২০২৫ সালের জুলাই – ডিসেম্বর

বছরের প্রথম ছয় মাসে ওভারফ্লাই ফি বাবদ মোট আয় হয়েছে ৩৮৮ কোটি ১০ লাখ ১৫ হাজার ৪৫১ টাকা ২০ পয়সা। এর মধ্যে জুলাইয়ে আয় হয়েছে ৪৮ কোটি ১৮ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮৫ টাকা ৩৩ পয়সা, আগস্টে ৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৭৮ টাকা ৯৬ পয়সা, সেপ্টেম্বরে ৮৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫১৭ টাকা ৬০ পয়সা, অক্টোবরে ৭৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮৮ টাকা ৫৯ পয়সা, নভেম্বরে ৬২ কোটি ১১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪৫ টাকা ১৪ পয়সা, ডিসেম্বরে ৭২ কোটি ৭৬ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩৫ টাকা ৫৮ পয়সা।

২০২৬ সালের জানুয়ারি – জুন

পরবর্তীতে চলতি বছরের ছয় মাসে আয়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৪ টাকায়। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৮০ কোটি ১৬ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৬ টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ৬৯ কোটি ৫৮ লাখ ২৬ হাজার ২২৬ টাকা, মার্চে ৬২ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ১০৮ টাকা, এপ্রিলে ৬৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৭৬ টাকা, মে তে ৭০ কোটি ৪৭ লাখ ৫২ হাজার ২৫০ টাকা এবং জুনে ৬৬ কোটি ৯৮ লাখ ৬২ হাজার ৩১৮ টাকা।

এভিয়েশন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক আকাশপথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। দেশের আকাশসীমা দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ায় ওভারফ্লাই ফি থেকে অর্জিত এই রাজস্ব দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, ‘আমাদের নতুন এটিসি টাওয়ার চালুর পর থেকে আমাদের ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায় বেড়েছে। এটি এই টাওয়ার স্থাপনের সফলতা।’

তিনি বলেন, ‘এর পাশাপাশি আমাদের পুরো দেশের আকাশসীমা শতভাগ নজরদারী স্থাপিত হয়েছে। ফলে আমাদের রাডার ফাঁকি দিয়ে কোনও ফ্লাইট দেশের আকাশে প্রবেশ করতে পারবে না। এটি আমাদের জন্য যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ।’

বেবিচকের মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ বলেন, ‘এটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন টাওয়ার, যা দ্বারা ফ্লাইট নিরাপদে ওঠানামার পাশাপাশি পুরো দেশের আকাশসীমা নজরদারির আওতায় এসেছে। দেশের আকাশসীমায় প্রবেশকারী কোনও ফ্লাইট নজরদারির বাইরে থাকবে না। আগে যে রাডার ও নেভিগেশন ব্যবস্থাটি ছিল সেটি অনেক পুরোনো। ওই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের পুরো আকাশসীমা নজরদারির আওতায় আসতো না, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের অংশ। এতে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাংলাদেশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী, অন্য কোনও দেশের উড়োজাহাজ বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফি নেওয়ার বিধান আছে। আকাশসীমা একবার ব্যবহারের জন্য ‘ফ্লাইং ওভার চার্জ’ নামের এই ফি পেতো না বাংলাদেশ। কিন্তু বর্তমানে এই ফি আমরা পাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের আকাশে শতভাগ নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়েছে।’ সূত্র বাংলা ট্রিবিউন

Advertise with us
Advertise with us
লংমার্চ না করে সরকারকে সময়...
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কাপ্তাই হ্রদে নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ...
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতির প্রয়োজনে লংমার্চের আট দফা...
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জবির দূরপাল্লার বাসে ওয়াই-ফাই
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আছে স্বস্তি, তবুও পিংক বাসে...
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact